× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৪ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার

ফিল্ডিংয়ে উন্নতি চান অঞ্জু জৈন

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৮:১৪

ছেলেদের মতো মেয়েদের জাতীয় দলেও দুশ্চিন্তার নাম ফিল্ডিং। মেয়েদের বাংলাদেশ দলে ভারতীয় কোচিং স্টাফ যুক্ত হওয়ার পর দুর্বলতা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও সাফল্য পেতে এই বিভাগে আরও উন্নতির জায়গা দেখছেন হেড কোচ অঞ্জু জৈন।
গতকাল মিরপুরের একাডেমি মাঠে জাহানারা-সালমারা ফিল্ডিং অনুশীলনে নামার আগে তিনি বলেন, ‘গত বছর মেয়েদের ফিটনেসে উন্নতির দিকে জোর দিয়েছিলাম আমরা। এখন ওদের ফিটনেস আগের তুলনায় অনেক ভালো। অনেক ফিট ওরা। এবছর আমরা ফিল্ডিংয়ে আরও উন্নতির ব্যাপারটি সামনে আনছি। যেন এমন পর্যায়ে যায়, যাতে ম্যাচে পার্থক্য গড়তে পারে। ফিল্ডিংয়ে কারোর চেয়ে পিছিয়ে থাকলে ম্যাচের ফলাফলে খুব প্রভাব ফেলে।’ গত বছর হেড কোচ হিসেবে যোগ দিয়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ নারী দলকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন অঞ্জু। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই সাফল্য এনে দেয়া এ ভারতীয় কোচ পরে দেখান আরও বড় চমক।
তার অধীনে রুমানা-সালমারা ঘরে আনে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। ছেলেদের আগে মেয়েরা এশিয়া কাপ জেতায় হৈ-চৈ পড়ে যায় ক্রিকেটাঙ্গনে। বড় হয়ে ওঠে স্বপ্নের উঠোন। ম্যাচ জেতা অভ্যাসে পরিণত করা দলটিই কিনা গত বছরের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বিশ্বকাপের মঞ্চে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফেরে দেশে। তারপর আর আন্তর্জাতিক ম্যাচই খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।
ধারাবাহিক উন্নতি থেকে বিশ্বকাপে হোঁচট খাওয়া বাংলাদেশ দল কোন অবস্থায় আছে সেটি পরখ হয়নি গত ৯ মাসে। অবশ্য বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে গত মাসে সাউথ আফ্রিকা সফর করেছেন জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়। সেখানে পারফরম্যান্স মন্দ হয়নি। জিতেছে ওয়ানডে সিরিজ, হেরেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। কোচ, ম্যানেজমেন্ট খুশি নিগার সুলতানার দলের পারফরম্যান্সে। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের হেড কোচ হয়ে একবছর পূর্ণ করা অঞ্জুর সামনে শুরুর মতোই আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। দলকে মূল আসরে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ সামনে। ‘গত বছর প্রমাণ করেছি আমরা জিততে পারি। এবছর আমাদের লক্ষ্য যত বেশি ম্যাচ জেতা যায়। যার শুরুটা হচ্ছে বাছাইপর্ব দিয়ে। প্রথম লক্ষ্য, বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন। সত্যি বলতে এটাও হতাশার যে আমাদের আবার বাছাইপর্ব খেলতে হচ্ছে। দল যত খেলবে তত উন্নতি করবে। খেলার মধ্যে থাকাও একটা বড় বিষয়।’ গত বছর নিজেদের রেকর্ডসংখ্যক টি টোয়েন্টি ম্যাচ জিতলেও বিশ্বকাপে চার ম্যাচেই হারের ফলে র‌্যাঙ্কিংয়ে আগাতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম আট দল সরাসরি অংশ নিতে পারে বিশ্বকাপে। শ্রীলঙ্কার অল্প পেছনে থেকে সালমা খাতুনের দল আছে ৯ নম্বর স্থানে। আরেকটু ভালো করতে পারলে কিংবা বিশ্বকাপের পর কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে বাড়তে পারত রেটিং পয়েন্ট। অষ্টম দল হিসেবে সরাসরি ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া লঙ্কানদের সঙ্গে মেয়েদের পয়েন্টের ব্যবধান ১৪।.


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর