× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার

ছাতকে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ২০

বাংলারজমিন

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৮:১৬

ছাতকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কামরাঙ্গি ও আহারগাঁও গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে আহারগাঁও গ্রামের মৃত ইছবর আলীর পুত্র ছোরাব আলী ও কামরাঙ্গি গ্রামের মৃত আলতাব আলীর পুত্র কয়েছ মিয়া পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে সাংঘর্ষিক ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার। থানা ও আদালতে পক্ষে-বিপক্ষে একাধিক মামলাও বিচারাধীন। শনিবার রাতে আসামি ধরতে কামরাঙ্গি গ্রামে যায় পুলিশ। গ্রামে পুলিশ আসার বিষয়টি প্রতিপক্ষের দ্বারা করা হয়েছে বলে কামরাঙ্গি গ্রামবাসীর ধারণা।
ওই রাতে কামরাঙ্গি গ্রাম থেকে একটি সোলার প্যানেল, একটি পানির ট্যাংক লুট ও কামরাঙ্গি গ্রামের মসজিদের একটি গেট ভাংচুর করে প্রতিপক্ষ ছোরাব আলী’র লোকজন। বুধবার সন্ধ্যায় কামরাঙ্গি জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজ চলাকালে প্রতিপক্ষ ছোরাব আলী’র লোকজন ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে নামাজরত বেশ কয়েকজন মুসল্লি আহত হন। এ নিয়ে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সকালে কামরাঙ্গি গ্রামের আব্দুল কাহারের বাড়িতে প্রতিপক্ষ ছোরাব আলীর লোকজন হামলা ও ভাঙচুর চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাট ঘটে। দফায় দফায় সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের ২০ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত জাবেদ আহমদ (২২), আবিদ হোসেন (১৭) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসলাম উদ্দিন (২২), আছলম আলী (৩০)কে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ও প্রবাসী নূরুল ইসলাম (৩৫), হাফিজ জাবেদ আহমদ (২৭), হাজী আরজক আলী (৬০), সমুজ আলী (৩৫), তৈমুছ আলী (৬০), নূর বানু (৬০), মোহনমালা (৪০), তানজিনা বেগম (২৬), পেয়ারা বেগম (২৭)সহ আহতদের কৈতক হাসপাতালে ভর্তি ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো মুহূর্তে আবারো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগে পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর