× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

নেত্রকোনায় বেশি দামে রেলওয়ে টিকিট বিক্রি, প্রতিবাদ করলেই হুমকি

বাংলারজমিন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি | ১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, ৮:৩০

ঢাকা-মোহনগঞ্জ রেল পথের নেত্রকোনা শহরের বড় স্টেশনে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। মূল্য তালিকা না টাঙিয়ে কৌশলে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি দামে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে পুলিশি ভয়সহ নানাভাবে হয়রানির শিকার হন যাত্রীরা। যাত্রী ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, স্টেশন মাস্টার রফিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের কাছ থেকে আন্তঃনগরসহ সব  ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিট প্রতি ৫-১০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছেন। অনেক সময় টিকেটের সংকট সৃষ্টি করে আরো চড়া দামে টিকেট বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। যাত্রীদের কেউ প্রতিবাদ করলে নানাভাবে হয়রানির স্বীকার হতে হয়। যাত্রীদেরকে পুলিশের ভয় দেখানো হয়। যাত্রীরা জানান, ঢাকা-মোহনগঞ্জ রেলপথের প্রতিদিন ২ টি আন্তঃনগর ১টি কমিউটারসহ ৫টি ট্রেন যাতায়াত করে।
প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ যাত্রী এ স্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যায়। এসব যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত দামে টিকিট বিক্রি করে স্টেশন মাস্টার রফিউদ্দিন মাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ। এলাকাবাসী জানায়, স্টেশনে টিকেটের মূল্য তালিকার চার্ট টাঙানোর নিয়ম থাকলেও  বার বার বলা হলেও স্টেশন মাস্টার রফিউদ্দিন তাদের কথা কর্ণপাত করছেন না। ঈদকে সামনে রেখে মূল্য তালিকার চার্ট টাঙানোসহ সঠিক মূল্যে টিকেট বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন যাত্রী ও এলাকাবাসী। নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় যাতায়াতকারী যাত্রী খলিলুর রহমান জানান, তিনি হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনে (আন্তঃনগর) ঢাকায় যাওয়ার জন্য টিকিট কিনতে গেলে তার কাছ  থেকে ১৭০ টাকা আদায় করা হয়। অথচ এই টিকিটের মূল্য লেখা ১৬৫ টাকা। চেয়ারকার ১৯৫ টাকার স্থলে ২০০ টাকা নেয়া হয়। প্রতিবাদ করলে টিকিট ফেরত দিতে বলেন কাউন্টারম্যান। বাধ্য হয়ে ওই দামেই টিকিট নেন তিনি। তন্ময় তালুকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। সঠিক মূল্যে কোনোদিন টিকেট কিনতে পারেননি তিনি।  স্টেশন মাস্টারকে বহুবার জানালেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এ কারণে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য হন। তিনি আরো বলেন, ঈদের পরে কর্মমুখী মানুষ আরো বেশি হয়রানির শিকার হবেন।
এ ব্যাপারে স্টেশন মাস্টার রফিউদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ধরনের ছোট-খাটো বিষয় সব স্টেশনে হয়েই থাকে। মূল্য তালিকার ব্যাপারে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর