× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

কাশ্মীরে গোপনীয়তার ঢাকনা খুলে ফেলুন, নেতাদের গ্রেপ্তার অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, ৪:১২

জম্মু-কাশ্মীরে গোপনীয়তার ঢাকনা খুলে ফেলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করাকে অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। বলেছেন, অনেক কিছুই সেখানে অন্যায় করা হচ্ছে। এসব বিষয় পরিষ্কার করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেছেন। কংগ্রেস থেকে সদ্য পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার দেশবাসীর কাছ থেকে সত্য লুকাচ্ছে।

এ খবর দিয়ে অনলাইন জি নিউজ আরো জানাচ্ছে, রাহুল গান্ধী মিডিয়ার রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে সরকারকে ঘায়েল করেছেন। তিনি বলেছেন, সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
ওই অঞ্চলে মানুষ মারা যাওয়ার রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। তাই সরকারকে স্বচ্ছ হতে হবে এ বিষয়ে। তার ভাষায়, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে খুব বেশি পরিষ্কার করতে হবে এবং স্বচ্ছতা প্রদর্শন করতে হবে যে, প্রকৃতপক্ষে ইউনিয়ন টেরিটোরি অব জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর এবং লাদাখে কি ঘটছে।

রাহুল গান্ধী টুইটে বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে অস্থিরতার খবর বেরিয়ে আসছে, যেখানে সরকার মিডিয়া ও যোগাযোগের সব ব্যবস্থা ‘ব্লাকআউট’ করে দিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিজন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। আহ্বান জানাই গোপনীয়তার ঢাকনা খুলে ফেলতে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর এটাই কংগ্রেসের সাবেক প্রধান রাহুলের প্রথম প্রতিক্রিয়া। এতে তিনি সরকারকে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এই দেশ গড়ে উঠেছে এখানকার জনগণের দ্বারা, কিছু জমি বা ভূখন্ডের দ্বারা নয়। তিনি টুইটে বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরকে একতরফাভাবে ছিন্ন করে দিয়ে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আটক করে, আমাদের সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতীয় সংহতি বেশিদূর যেতে পারে না। নির্বাহী ক্ষমতার এই অপব্যবহার আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর ভয়াবহ প্রভাব আছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shishir
১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, ১১:১১

you r really great but indian People's failed to realised.

অন্যান্য খবর