× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী শিক্ষক জহিরুল গ্রেপ্তার

অনলাইন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৩:০৩

বরগুনার আমতলী উপজেলার কাঠালিয়া তাজেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষক জহিরুল ইসলাম(৩৮)কে  গ্রেপ্তার করেছে  আমতলী থানা পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  আমতলী থানার এস  আই ফয়সাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১০ টায় পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে  তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার কাঠালিয়া তাজেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ জহিরুল ইসলাম গাজী ২০১৫ সালে ২২শে জুলাই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকেই বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের   উত্যাক্ত করে আসছিল। এ বিষয়টি কয়েকবার প্রধান শিক্ষকের নজরে আনেন শিক্ষার্থীরা। প্রধান শিক্ষক তাকে শাসিয়ে দেন। ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয়। শুরুতে ওই ছাত্রী তার প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ওই ছাত্রীর অভিযোগ পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে গত ছয় মাস ধরে তাকে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম গাজী একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। এতে এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ওই ছাত্রী অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। অন্তঃস্বত্তার ঘটনা শিক্ষক জহিরুল ইসলাম জানতে পেরে গর্ভপাত করার চেষ্টা করে। কিন্তু ওই ছাত্রী তাতে রাজি হয়নি।

এ ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বড় ভাই কুকুয়া আদর্শ স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফারুক গাজী ছাত্রীর বাবাকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে গর্ভপাত করতে চাপ দেয়। ওই ছাত্রীর বাবা এতে রাজি না হওয়াতে জোড় করে পটুয়াখালী নিয়ে গর্ভপাত করেছে বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন ধর্ষক শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বিচার দাবী করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছিল । এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে ৩০ জুন রাতে আমতলী থানায় শিক্ষক জহিরুলকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।


আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ  মো. আবুল বাশার জানান, গ্রেপ্তারকৃত  জহিরুল ইসলামকেশনিবার ১২ টায়  আদালতের মাধ্যমে বরগুনা জেলা হাজতে পাঠানো  হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৮:২২

Cut his penis off. This is solution to stop this crime. Government should make this law.

Ziauddin
১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৫:৩৬

Why the girl didn't inform parents earlier?

D. M. Kamal Uddin Ma
১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৩:৫০

হা হা। আজ সব খবর বরগুনার।

Abdul hai mazumder
১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ২:২৬

আজ সব খবর বরগুনার।

অন্যান্য খবর