× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

নেত্রকোনায় গণধর্ষণ মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি

বাংলারজমিন

ধনেত্রকোনা প্রতিনিধি | ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৮:০৬

 ঈদের ছুটিতে বেড়াতে এসে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার তিন আসামি আটদিন পেরিয়ে গেলেও গতকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা হলো- রাজেন্দ্রপুর এলাকার এনামুল হক সম্রাট (২৭), মো. জিহান (২৭) ও মো. রাসেল (৩০)। অভিযোগে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সিড স্টোর এলাকা থেকে এক দম্পতি গত ৯ই আগস্ট ঈদুল আজহার ছুটিতে ফুফুর বাড়ি জেলার কলমাকান্দায় বেড়াতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরে বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় ওই দম্পতি বাস থেকে নামেন। সেখানে গৃহবধূ সারিন্দা ফাস্ট ফুডের দোকান সারিন্দার টয়লেট ব্যবহার করতে যান। এ সময় সারিন্দার সামনে বসে থাকা কয়েক যুবক তাদেরকে নিয়ে আপত্তিকর কথা বলছিল। একপর্যায়ে যুবকদের গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। যুবকরা গৃহবধূর স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে গৃহবধূর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় ও পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে নির্যাতনকারীরা বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য দম্পতিকে শাসিয়ে দেয় এবং দুইটি মোবাইল সেট ও সঙ্গে থাকা সাড়ে ১০ হাজার টাকা রেখে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে পরদিন নেত্রকোনা মডেল থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- রাজেন্দ্রপুর এলাকার এনামুল হক সম্রাট (২৭), মো. জিহান (২৭), মো. রাসেল (৩০), মো. সাইদুর রহমান (৩০), জামান বাশার (২৭), রেজাউল করিম ওরফে পাভেল (২৮) ও সারিন্দার ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলাম ওরফে মামুন মিয়া (৩৫)। পুলিশ এর মধ্যে সাইদুল ইসলাম, রেজাউল করিম পাভেল, জামান বাশার ও ধর্ষণে সহযোগিতাকারী সারিন্দার ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। মামলার অন্য তিন আসামিকে আটদিন পেরিয়ে গেলেও গতকাল পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম জানান, মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে ওদের এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর