× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

ইয়াবা ফাঁদে আইএইচটি কলেজের উপাধ্যক্ষ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে | ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৮:৪০

বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) কলেজে এবার ইয়াবা কেলেঙ্কারিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কলেজের উপাধ্যক্ষ শুভাঙ্কর বাড়ৈকে বহনকারী মোটরসাইকেল থেকে ইয়াবা উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এই ঘটনায় উপাধ্যক্ষ এবং মোটরসাইকেল মালিক ওই কলেজের হেড ক্লার্ক মাইনুদ্দিনসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তবে আটকরা এ ঘটনাটি সাজানো এবং পরিকল্পনা মোতাবেক তাদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। শনিবার দুপুরে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অদূর ব্যাপ্টিশ মিশন রোডের মুখ থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত ডিবি পুলিশ এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। ওই রাতেই শেষ পর্যন্ত উপাধ্যক্ষকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে কলেজের শিক্ষকদের বক্তব্য হলো কলেজের কিছু ইয়াবা আসক্ত ছাত্রদের এটি কারসাজি। এদের মধ্যে কয়েকজনকে মাসখানেক আগে পুলিশ আটকও করেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) উপাধ্যক্ষ শুভাঙ্কর বাড়ৈকে শনিবার দুপুরে মোটরসাইকেল যোগে বাসায় এগিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন প্রধান ক্লার্ক মাইনুদ্দিন। পথিমধ্যে ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে টিম শহরের ব্যাপ্টিশ মিশন রোডে মুখে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে সেখানে উপস্থিত জনতার সামনে মোটরসাইকেলের সিটির ভেতর থেকে ৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
এই ঘটনায় তাদের দু’জনকে আটক করে তাৎক্ষণিক ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
ডিবি পুলিশের একটি সূত্র জানায়, উপাধ্যক্ষ ও হেড ক্লার্ক ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটিকে ডিবি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে পরিকল্পিত বলে দাবি করে তথ্যদাতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন। পরে ডিবি পুলিশ এই ঘটনায় তথ্যদাতাকেও ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। রাতে উপাধ্যক্ষকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে হেডক্লার্ক মাইনুদ্দিনকে গতকাল আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, ২২শে জুন কলেজের পরীক্ষায় ফার্মেসি বিভাগের এক ছাত্রকে নকলের অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট বহিষ্কার করে। এ ছাত্রটি ইয়াবায় আসক্ত এবং ব্যবসা করে বলে পরিচিত। এরপরই সে শিক্ষকদের হুমকি দিয়েছিল। এক শিক্ষকের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ওই ছাত্র ও তার তিন সহকারী। তখন ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। তখন ছাত্রদের পক্ষে অন্য ছাত্ররা ব্যাপক বিক্ষোভ করলে উপাধ্যক্ষ বাধ্য হয়ে পুলিশে ফোন করে তাদের ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন। এ সময় আটকের জন্য ছাত্ররা উপাধ্যক্ষকেই দায়ী করেন বলে জানা গেছে। তখন থেকেই উপাধ্যক্ষকে হেনস্থা করার জন্য ওই চক্র উপায় খুঁজছিল। আইএসটিটি হোস্টেল ইয়াবার গুদাম হিসেবে পরিচিত। চিহ্নিত ৪-৫ জন ছাত্র এটি পরিচালনা করে। অপর একটি সূত্র জানায় মোটরসাইকেলের ড্রাইভার হেডক্লার্ক মাইনুদ্দিনের সঙ্গে কলেজের ইয়াবা চক্রের যোগাযোগ আছে। তারই ফাঁদে পা দেন উপাধ্যক্ষ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর