× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

চামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের তদন্ত চেয়ে রিট

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৮:৪৬

কোরবানির পশুর চামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ খুঁজতে বিচারিক তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চে রিট আবেদন উপস্থাপন করা হয়। তবে হাইকোর্ট শুনানি করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। গতকাল বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহিউদ্দিন মো. হানিফ (ফরহাদ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি করেন।
আইনজীবী মহিউদ্দিন মো. হানিফ সাংবাদিকদের বলেন, দুটি বেঞ্চে রিট আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে আদালত শুনানি নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সোমবার অন্য একটি বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।
রিটে বিবাদী করা হয় বাণিজ্য সচিব, শিল্প সচিব, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হাইড এন্ড মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে। এছাড়া রিট আবেদনে চামড়ার অপ্রত্যাশিত দরপতন প্রতিরোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না, দরপতনের কারণ খুঁজতে একটি জুডিশিয়াল (বিচারিক) তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, দরপতনের জন্য দায়ীদের ব্যবসায়িক নিবন্ধন কেন বাতিল করা হবে না মর্মে রুল চাওয়া হয়।
চামড়ার দরপতন নিয়ে ‘চামড়ায় ক্ষতি হাজার কোটি টাকা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়- এবার কোরবানির ঈদে ন্যায্য দাম না পেয়ে লক্ষাধিক পিস পশুর চামড়া ধ্বংস করা হয়েছে। যার বেশির ভাগ মাটির নিচে চাপা দেয়া হয়। কিছু ভাসিয়ে দেয়া হয় নদীতে। চামড়ার মূল্য না থাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে পড়ে দেশের চামড়ার বাজার। দামে ধস নামায় প্রায় হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের (বিটিএ) তথ্য অনুযায়ী, বছরে গড়ে ২২ কোটি বর্গফুট চামড়া পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৬৪.৮৩ শতাংশ গরুর চামড়া, ৩১.৮২ শতাংশ ছাগলের, ২.২৫ শতাংশ মহিষের এবং ১.২ শতাংশ ভেড়ার চামড়া।
এছাড়া, সিন্ডিকেটে চামড়া ব্যবসায় মহা ধস, ঈদের দিন রপ্তানির সিদ্ধান্ত শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়- এবার কোরবানির ঈদে জবাই করা পশুর কাঁচা  চামড়া নিয়ে মহা বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। যা গত ৩০ বছরের মধ্যে সব চেয়ে ভয়াবহ দরপতন। ১৯৯০ সালে ব্যাপক দরপতন হলেও ওই সময় পাঁচ থেকে সাতশ টাকায় বিক্রি হয় গরুর কাঁচা চামড়া। কিন্তু এবার চামড়া কেনার লোকই পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রি করতে না পেরে অনেকে চামড়া রাস্তায় বা ময়লার স্তুপে ফেলে দিয়েছেন। মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে হাজার হাজার চামড়া। যেসব চামড়া বিক্রি হয়েছে তারও দাম দেয়া হয়েছে নামমাত্র। এমন পরিস্থিতিতে দেশের চামড়া শিল্পে বড় আঘাত আসবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আগের মজুত থাকায় এবার চামড়ার বাজারে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল আগে থেকেই। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগাম যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারেনি। পরিস্থিতি আঁচ করে শেষ মূহুর্তে ঈদের দিন কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রণালয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর