× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার রেকর্ডগড়া জয়

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৯:০২

গল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে ৯৯ রানের বেশি তাড়া করে জয়ের নজির ছিল না, সেখানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কাকে করতে হতো ২৬৮ রান! তবে অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নের সেঞ্চুরি ও লাহিরু থিরিমান্নের হাফসেঞ্চুরিতে ওই লক্ষ্যটা ৬ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে গেল স্বাগতিকরা। তাতে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুটা দারুণ হলো শ্রীলঙ্কার। রেকর্ডগড়া জয়ের সুবাদে ৬০ পয়েন্ট লাভ করেছে করুণারত্নের দল। আগামী ২২শে আগস্ট শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
২০১৬ সালের পর টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতা ৪টি ম্যাচের তিনটিতেই জয়ী দল শ্রীলঙ্কা! অপর দলটি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৭ সালে কলম্বোতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৮৮, চলতি বছরের শুরুতে ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩০৪ ও সর্বশেষ গলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬৮ রান তাড়া করে জিতলো শ্রীলঙ্কা। ২০১৭ সালে হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের দেয়া ৩২২ রানের লক্ষ্য পেরিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর দিমুথ করুণারত্নেসহ ২০১৯ সালে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি পেয়েছেন মাত্র দু’জন। অপরজনও শ্রীলঙ্কান! ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে কুসাল পেরেরা অপরাজিত ছিলেন ১৫৩ রানে।
গলে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে বিনা উইকেটে ১৩৩ রান সংগ্রহ করেছিল শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নে ৭১ ও লাহিরু থিরিমান্নে ৫৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তাতে জয়ের জন্য লঙ্কানদের প্রয়োজন ছিল ১৩৫ রান। গতকাল পঞ্চম দিনে শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলতে থাকেন করুণারত্নে-থিরিমান্নে। তবে  দলীয় ১৬১ রানে বিদায় নেন থিরিমান্নে। ৬৪ রান করেন তিনি। এরপর কুসাল মেন্ডিসও (১০) দ্রুত বিদায় নেন। ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলীয় ২১৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন করুণারত্নে। ২৪৩ বলে ৬ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ১২২ রান করেন লঙ্কান অধিনায়ক। চতুর্থ উইকেটে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস-কুসাল পেরেরার ৩৮ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের কাছে পৌঁছে দেয়। ওয়ানডে স্টাইলে ১৯ বলে ২৩ রান করে আউট হন পেরেরা। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে বাকি কাজ সারেন ম্যাথিউস। ৭৩ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ধনাঞ্জয়া করেন ১৪ রান। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, উইলিয়ামস সমারভিল, অ্যাজাজ প্যাটেল প্রত্যেকে নেন একটি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হন দিমুথ করুণারত্নে। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড করেছিল ২৪৯ রান। জবাবে শ্রীলঙ্কা তুলে ২৬৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে কিউরা সংগ্রহ করেছিল ২৮৫ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড (প্রথম ইনিংস): ৮৩.২ ওভারে ২৪৯ (টেইলর ৮৬*; হ্যানরি ৪২; ধনাঞ্জয়া ৫/৫৭)
শ্রীলঙ্কা (প্রথম ইনিংস): ৯৩.২ ওভারে ২৬৭ (মেন্ডিস ৫৩, ম্যাথিউস ৫০, ডিকওয়েলা ৬১; প্যাটেল ৫/৮৯)
নিউজিল্যান্ড (দ্বিতীয় ইনিংস): ১০৬ ওভারে ২৮৫ (বিজে ওয়াটলিং ৭৭, ল্যাথাম ৪৫, সমারভিল ৪০*; এম্বুলদেনিয়া ৪/৯৯)
শ্রীলঙ্কা (দ্বিতীয় ইনিংস): ৮৬.১ ওভারে ২৬৮/৪ (করুণারত্নে ১২২, থিরিমান্নে ৬৪, ম্যাথিউস ২৮*, ধনাঞ্জয়া ১৪; বোল্ট ১/৩৩)।
ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: করুণারত্নে (শ্রীলঙ্কা)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর