× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

নেত্রকোনায় ব্যবসায় বিনিয়োগের টাকা চাওয়ায় হত্যার হুমকি

বাংলারজমিন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি | ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:২৫

 ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে দেয়া টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মদন উপজেলার ওয়াহেদ ব্রিকস্‌ ফিল্ডের মালিক হাজী আবদুল ওয়াহেদের বিরুদ্ধে। টাকা চাওয়ায় মদনের কাইটাইল গ্রামের শাহাবউদ্দিন আহম্মদকে হত্যার হুমকি দেয় আবদুল ওয়াদের লোকজন। মদনে কাইটাইল গ্রামের শাহাবউদ্দিন আহম্মদ ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে সোমবার পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জানা গেছে, মদন পৌরসভার বাসিন্দা ওয়াহেদ ব্রিকস্‌ ফিল্ডের মালিক হাজী আবদুল ওয়াহেদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে কাইটাইল গ্রামের শাহাবউদ্দিন আহম্মদ ও তার ভগ্নিপতি কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রওশন ইয়াজদানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক সেলিম তাদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ৩০% অংশীদার হিসেবে বিগত ২০১০ সালের ২১শে ডিসেম্বর যৌথ ঠিকাদারী ব্যবসার শুরু করেন। হাজী আবদুল ওয়াহেদ বিভিন্ন সময় কলমাকান্দায় ব্রিজ নির্মাণ, মদনের তিয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ এবং মোহনগঞ্জে রাস্তা নির্মাণের নামে দুই পার্টনারের কাছ থেকে নগদ ৩৩ লাখ ৬৪ হাজার ৬ শ’ ১ টাকা নেন। গত ২০১৫ সালের ১০ই এপ্রিল যৌথ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনে সন্দেহ হওয়ায় বিনিয়োগকৃত ৩৩ লাখ ৬৪ হাজার ৬ শ’ ১ টাকা এবং কাজগুলোর ৩০% লভ্যাংশ ফেরত দেয়ার দাবি করেন শাহাবউদ্দিন ও ফজলুল হক সেলিম। পরে আবদুল ওয়াহেদ আজ না কাল, দেই দিচ্ছি বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। গত ২০১৭ সালের ১৪ই অক্টোবর কাইটাইল বাজার সংলগ্ন বাগে মিজান মাদ্রাসায় এলাকার শীর্ষ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয়পক্ষের বক্তব্য ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ৩০শে অক্টোবরের মধ্যে আবদুল ওয়াহেদকে ৯ লাখ টাকা যৌথ ব্যবসায়ী অংশীদার শাহাব উদ্দিনকে বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু অদ্যাবধি পাওনা টাকা পরিশোধ করে নাই। পাওনা টাকা চাইতে গেলে শাহাবউদ্দিন হত্যার হুমকি দেয়া হয়। প্রাণভয়ে শাহাবুদ্দিন নিজ বাড়ি ছেড়ে প্রায় এক বছর ধরে অন্যত্র বসবাস করছেন। অবশেষে নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে সোমবার পুলিশ সুপারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। হাজী অবদুল ওয়াহেদ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শাহাবউদ্দিনের প্রাপ্য টাকা ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সে এখন আর আমার কাছে কোনো টাকা-পয়সা পায় না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর