× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

কাশ্মীরে স্কুল-কলেজ খুললেও আতঙ্কে শিক্ষার্থী সংখ্যা নগণ্য

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:০১

কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকে খুলেছে কাশ্মীরের সকল স্কুল-কলেজ। কিন্তু বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ছিল ফাঁকা। আতঙ্কিত অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুল বা কলেজে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিলের পর থেকে এ অঞ্চলে বিরাজ করছে ভীতিকর অবস্থা। জম্মু স্বাভাবিক হয়ে এলেও কাশ্মীরে এখনো বিচ্ছিন্নভাবে সংঘর্ষ চলছে। একইসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্বিচারে ধরপাকড়ে আতঙ্কিত হয়ে আছে গোটা জনপদ।
এরইমধ্যে জম্মু-কাশ্মীর কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় ১৯শে আগস্ট থেকে খুলবে কাশ্মীরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সে ঘোষণা অনুযায়ী স্কুল চালু হলেও তাতে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা ছিল একেবারেই কম। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, মোবাইল নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে। গুলজার আহমেদ নামে একজন রয়টার্সকে বলেন, কীভাবে আমরা আমাদের সন্তানদের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেবো? নিরাপত্তা বাহিনী আজকাল শিক্ষার্থীদেরও আটক করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে গুলজার বলেন, আমি সন্তানদের স্কুলে পাঠালে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কে দেবে? তবে কাশ্মীর কর্তৃপক্ষ গণগ্রেপ্তারের সকল দাবি অস্বীকার করেছেন।
এদিকে শ্রীনগরের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহিদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, প্রতিটা স্কুলের জন্য আলাদা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তার দায় আমি নেবো।
রয়টার্সের সাংবাদিকরা শ্রীনগরের কয়েক ডজন স্কুল পর্যবেক্ষণ করেন। এর বেশির ভাগেরই গেট ছিল বাইরে থেকে আটকানো। বেশির ভাগ স্কুলেই অতি সামান্য ক’জন শিক্ষার্থী দেখা গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে থাকা স্কুলগুলোতে কোনো শিক্ষার্থীই দেখা যায়নি। এ নিয়ে এক শিক্ষক রয়টার্সকে বলেন, এ ধরনের একটি সহিংস পরিবেশে বাচ্চারা কীভাবে স্কুলে আসবে? সরকার এই শিশুদের কামানের গোলায় পরিণত করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর