× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

ইমরান-মোদিকে ট্রাম্পের ফোন, উত্তেজনা কমানোর আহ্বান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার, ১১:৩০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তাদের কাছে কাশ্মীর নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে সোমবার কথা বলেন ট্রাম্প। তা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে টুইট করেছেন তিনি। তাতে তিনি ইমরান খান ও মোদিকে ‘দু’জন ভাল বন্ধু’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, তাদের সঙ্গে বাণিজ্য, কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে কথা হয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাশ্মীর নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ভারত ও পাকিস্তানকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প লিখেছেন, কঠিন অবস্থা। কিন্তু ভাল আলোচনা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনকলের বিষয়ে সোমবার বিবৃতি দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হোগা গিডলে। তিনি বলেছেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তিনি আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে কথা বলেছেন। এ ছাড়া ট্রাম্প ও মোদি আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার ওপরে। বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এমন সম্পর্ক জোরদারের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া তারা শিগগিরই আবার সাক্ষাতের কথা বলেছেন।

পরে সোমবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ফোন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি ইমরানের সঙ্গে দখলীকৃত কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। এ সময়ে ট্রাম্প ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা কমিয়ে আনার বিষয়ে তার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে ট্রাম্পকে ইমরান খান বলেছেন, ভারত দখলীকৃত কাশ্মীরে গত ১৫ দিন ধরে কারফিউ রয়েছে। আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার কাশ্মীরিকে আটক করা হয়েছে। তাদের অনেককে ভারত দখলীকৃত কাশ্মীর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাই পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, কাশ্মীরে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলোর পর্যবেক্ষকদের সফর করা উচিত। তিনি আরো বলেছেন, ভারতের উচিত আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর