× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

নবজাতক উদ্ধার

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৮:৫৪

ফুটপাথে তিনটি কুকুর কি যেন টানাটানি করছিল। ঘটনাটি দেখে এগিয়ে যান টহলরত পুলিশ কর্মকর্তা। দেখেন ফুটফুটে এক নবজাতক। আর কুকুরের মুখ থেকে তাকে নিজের কোলে তুলে নিয়ে যান হাসপাতালে। তাকে সহযোগিতা করেন প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া এক নারী।
গতকাল মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদের আক্তারুজ্জামান সেন্টারের সামনে ঘটে এ ঘটনা।  
আর এতে যারপরনাই খুশি ডবলমুরিং থানার উপ-পরিদর্শক পদে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা  মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, নবজাতকটির ভাগ্যে হয়তো এই ছিল। তা নাহলে অবুঝ কুকুরগুলো ওই নবজাতককে নিয়ে অমন করছিল কেন? যাতে আমার নজরে পড়ে। আর দ্রুত হাসপাতালে নেয়ায় নবজাতকটি প্রাণে বেঁচে গেল। এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আগ্রাবাদে আক্তারুজ্জামান সেন্টারের সামনে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি দেখতে পান তিনটি কুকুর কিছু একটা নিয়ে টানাটানি করছে। তিনি এগিয়ে গিয়ে দেখেন সদ্যজাত এক শিশু কুকুরগুলোর মুখে। তবে কুকুরগুলো নবজাতকটিকে কামড়াচ্ছে না। কুকুরগুলোর হাবভাব এমন যে, তারাও যেন কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছিল। এতেই নজর পড়ে আমার। ফলে দ্রুত কুকুরগুলোকে সরিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া এক নারী তাকে সহযোগিতা করেন। পাশেই ফুটপাথে তার মাকে পাওয়া গেল রক্তাক্ত অবস্থায়। তাকেও সঙ্গে নেয়া হয়। মা ও শিশুটিকে চমেক হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর বয়স হবে আনুমানিক ২৫-২৬ বছর। শুধু নিজের নাম বলতে পারেন আয়েশা। তাকে আগেও গর্ভাবস্থায় ফুটপাথে শুয়ে থাকতে দেখেছেন বলে জানান মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটি সুস্থ আছে। কুকুরগুলো আসলে তার নাড়ি ধরে টানাটানি করছিল। শরীরে একটুও আঘাত লাগেনি। মা-ও সুস্থ আছে। তাকেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
 আর এতে শুধু মনে হচ্ছে-পশু হিসেবে কুকুরগুলোও আসলে কী মানবিক। এটাই ভাবাচ্ছে আমাকে।  
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডবলমুরিং জোন) আশিকুর রহমান জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের পরে ঘটনাস্থলের কাছেই তার মাকেও খুঁজে বের করেন এসআই মোস্তাফিজুর রহমান। শিশুটিকে প্রথমে আগ্রাবাদের মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে তার মাকেও নেয়া হয়। সেখান থেকে নেয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। মা-ছেলে দুজনই সুস্থ আছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Sajid
২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার, ২:২৫

Good

অন্যান্য খবর