× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

খালেদার মুক্তির জন্য রাজপথে আন্দোলন করতে হবে-দুদু

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ২:৩৫

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হবে। জেলের তালা ভেঙ্গেই তাকে মুক্ত করতে হবে। এটাই রাজনীতি, এটাই এখন আমাদের লক্ষ্য।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ আন্দোলনের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যদি এখন জেলের বাইরে থাকতেন তাহলে তিনি কৃষকদের পাশে দাঁড়াতেন, শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতেন, ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতেন। ঢাকা শহরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মানুষ যে অসহায় জীবনযাপন করছে তাদের পাশে দাঁড়াতেন। কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ধান ক্ষেতে আগুন দিয়েছে, তিনি তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকে ও শেয়ার মার্কেটে যে টাকা লুট হয়েছে তার বিরুদ্ধে বেগম জিয়া প্রতিবাদ করতেন। বেগম জিয়া বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই করতেন, রাজপথে নেমে আসতেন। কিন্তু তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, যাতে তিনি দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে না পারেন। যাতে তিনি অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে না পারেন।

জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার জন্যই খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি’র এই নেতা বলেন, বেগম জিয়াকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, তার ছোট ছেলে নির্যাতনের শিকার হয়ে বিদেশে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার বড় ছেলে তারেক রহমানকে নির্বাসনে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। তাকে দেশে আসতে দেয়া হচ্ছে না।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। তার পরিবার বারবার নির্যাতিত গরিব-দুখী-মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এজন্যই জিয়া পরিবারের প্রতি বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এত রাগ, এত বিদ্বেষ।
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’র সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপির সহ-তথ্যবিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, কৃষকদলের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, মৎস্যজীবী দলের নেতা ইসমাঈল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৫:৩৮

কবে?

মোঃ নুরুল আলম
২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৫:০৪

খালেদা জিয়ার সাথে বাংলাদেশের গণতন্ত্রও বন্দী হয়ে আছে । বন্দী হয়ে আছে বাক স্বাধীনতা । বন্দী হয়ে হয়ে আছে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার । অভিরত নিষ্পেষিত হচ্ছে মানুষ । গুম আর খুনে দিশেহারা সমগ্র দেশ । অবিচার আর ব্যবিচারে সমগ্র সমাজ কলুষিত । জোর-জবরধ্বস্তির বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে ভদ্র আর নিরীহ শ্রেণী নির্বাক । এরকম পরিস্থিতি এদেশের মানুষ আওয়ামী শাসন ছাড়া আর কখনো দেখেছে ? গলা টিপে হত্যা করা গণতন্ত্রকে জিয়াই প্রাণ দিয়েছিলেন । তাঁর উত্তরসুরী হিসেবে বেগম জিয়া সব সময় গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন । তিনি যদি একমত পোষণ না করতেন এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হত না । এ খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে ১৯৯৬ সালে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন । সে তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা এখন কোথায় ? মানুষেরা ভোটাধিকার এখন কোথায় ? গণতান্ত্রিক আন্দোলন এখন কোথায় ? মানুষের নীতি-নৈতিকতা এখন কোথায় ?

জাফর আহমেদ
২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৩:১৪

আপনারা শুধু বলতে পারেন। কারন সরকার এখন ও কথা বলতে দিচ্ছে। কিন্তু মনে হয় না এই জীবনে কখনো কিছু করতে পারবেন। তাই আপনাদের উচিত জামায়াতের মতো চুপ করে থাকা। কারন নিজ ঘরে বসে চিৎকার করা আর রাস্তায় করা এক নয়।

অন্যান্য খবর