× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
গোয়েন্দাদের রিপোর্ট

কাশ্মীরে মানুষের ক্রোধের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৬

জম্মু-কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকারকে সতর্ক করেছে দেশটির একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে,  কাশ্মীরের জনমনে ক্রোধ চরম পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনও সময় সেই ক্রোধের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। দেখা দিতে পারে ব্যাপক হিংসাত্মক কার্যকলাপ। গত ৫ই আগষ্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদার পরিবর্তে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরকে। লাদাখকে কাশ্মীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এর একদিন আগে থেকেই এখন পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরকে অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার কাশ্মীরি নেতাকে আটক করা হয়েছে। ইন্টারনেট ও টেলিফোন পরিষেবা বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। জারি করা হয়েছে কারফিউ ও ১৪৪ ধারার মতো নিষেধাজ্ঞা। কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে মুড়ে রাখায় এখনও পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা দেখা না-গেলেও, গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে ফুঁসছে জম্মু-কাশ্মীরের একাংশ। ৩৭০  ও ৩৫এ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরিদের মধ্যে একটা উদ্বেগ কাজ করছে। কাশ্মীর সম্পর্কে অভিজ্ঞতা রয়েছে বা সেখানে কাজ করেছেন, এমন একাধিক সাবেক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা আধিকারিকরা কাশ্মীরে অশান্তির আশঙ্কা করছেন। কেন্দ্র যাতে কাশ্মীর নিয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলি দ্রুত শুরু করে, সেই পরামর্শও তারা দিয়েছেন। বলা হয়েছে, উদ্বেগে থাকা কাশ্মীরের মানুষকে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের লাভজনক দিকগুলি বোঝাতে হবে। যাতে সাধারণ মানুষের মন থেকে বিভ্রান্তি দূর হয়। গোয়েন্দাদের মতে, প্রথম সারির নেতারা নানাভাবে বন্দি হয়ে রয়েছেন। হয় গৃহবন্দি নয়তো কারাগারে। ফলে, সেখানকার সাধারণ মানুষ নেতৃত্বহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। যে কারণে শ্রীনগরে বিক্ষিপ্ত কিছু সংঘর্ষ ছাড়া এখনও সে অর্থে হিংসা মাথাচাড়া দিতে পারেনি। তবে পাথর ছোড়ার মতো বিক্ষোভ দমনে ভিতরে ভিতরে কাশ্মীরে পুলিশের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীও নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর