× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

৭০ বছরে প্রথম ভারত প্রবল তারল্য সঙ্কটে

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৩৩

৭০ বছরে প্রথম ভারত প্রবল তারল্য সঙ্কটে আবর্তিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা জিডিপির বর্তমান হার ধরে রাখাও ভারতের পক্ষে রীতিমত কষ্টকর। এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন ভারতের নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই সঙ্কচজনক পরিস্থিতিতেও সরকার কার্যত ঘুমিয়ে রয়েছে। অথচ কিছুদিন আগেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, ভারতে আর্থিক ক্ষেত্রে গত ৭০ বছরে এমন সঙ্কটজনক পরিস্থিতি আগে কখনও আসেনি। এই ‘অভূতপূর্ব’ পরিস্থিতির মোকাবিলায় অবিলম্বে চিরাচরিত প্রথার বাইরে বেরিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করলে অর্থনীতির মেরুদন্ডই ভেঙে পড়বে বলে তিনি জানিয়েছেন। রাজীবকুমারের মতে, ভয়াবহ এই সঙ্কটের ছাপ পড়েছে জিডিপি-তেও। ৩১ মার্চ শেষ হওয়া গত আর্থিক বছরে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৮ শতাংশ। তার মধ্যে জানুয়ারি থেকে মার্চ শেষ ত্রৈমাসিকে এই হার ছিল ৫.৮ শতাংশ। মারাত্মক প্রভাব পড়ছে শেয়ার বাজারেও। শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদনও কমে গিয়েছে। অটোমোবাইল থেকে আর্থিক শিল্প, সব ক্ষেত্রেই অবস্থা এতটাই সঙ্কটজনক যে ব্যাপকভাবে কর্মী ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি চলছে। নীতি আযোগের ভাইসচেয়ারম্যান হওয়া সত্ত্বেও রাজীবকুমার এই পরিস্থিতি কেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, গোটা খেলাটা পাল্টেছে গত চার বছরে। নোটবন্দি, জিএসটি এবং দেউলিয়া বিধি পরিবর্তনের ফলে। তার আগে পর্যন্ত ১০, ২০, ৩০, ৩৫ শতাংশ নগদ বাজারে লেনদেন চলত। কিন্তু এখন সেই পরিমাণ অনকেটাই কমে গিয়েছে। বাজারে নগদ মূলধনী লেনদেন ও বিনিয়োগের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজীবকুমার বলেছেন, কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। এই পরিস্থিতি শুধু সরকার ও সরকারি ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বেসরকারি ক্ষেত্রেও একে অন্যের মধ্যে কেউ কাউকে ধার দিতে চাইছে না। তাঁর বক্তব্য, সরকার নিশ্চয়ই বুঝতে পারছে যে সমস্যাটা আর্থিক ক্ষেত্রে। মূলধন ধীরে ধীরে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। সেটা থামানো দরকার। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান সরকারকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি যেহেতু অভূতপূর্ব, তাই তার মোকাবিলায় পদক্ষেপও করতে হবে অভূতপূর্ব। কোন উপায়ে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব, তার নির্দিষ্ট পদ্ধতি না বললেও মোদ্দা কথায় দু’টি নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা তিনি বলেছেন। এক, এমন কোনও পদক্ষেপ যা চিরাচরিত বা প্রথাগত নয়। দ্বিতীয়ত, বেসরকারি ক্ষেত্রের আস্থা ফেরাতে সরকারের যা কিছু করা সম্ভব, তেমন সব কিছু করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর