× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

ধর্ষণে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে ধর্ষণচেষ্টাকারী নিহত

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ১১:১৩

চুয়াডাঙ্গায় ভাগ্নিকে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় ধর্ষকের ছুরিকাঘাতে মামা হাসান আলী (২৬) খুন হয়েছেন। পরে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে নিহত হন অভিযুক্ত আকবর আলীও। এছাড়া ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন স্কুলছাত্রী ও তার নানা হামিদুল ইসলাম। আজ ভোরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসান আলী আমিরপুর গ্রামের হামিদুল ইসলামের  ছেলে। গণপিটুনিতে নিহত আকবর আলী দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্ণপুর মদনা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের  ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সবজির ব্যবসা করতেন বলে জানিয়েছে গ্রামবাসী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের পঙ্গু হামিদুল ইসলামের বাড়িতে আজ শনিবার ভোরে আকবর আলী নামে এক ব্যক্তি ঢোকে। এরপর স্কুল পড়ুয়া ওই কিশোরীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। কিন্তু কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে আকবর আলী গৃহকর্তার ছেলে হাসান আলীকে (২৬) ছুরকাঘাতে হত্যা করে। গুরুতর আহত হয় ওই স্কুলছাত্রীসহ তার পঙ্গু নানা হামিদুল ইসলাম।

এদিকে, গ্রামবাসী টের পেয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলে হামলাকারী আকবর আলীকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার, মো. কলিমুল্লাহসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা গুরুতর আহত গৃহকর্তা হামিদুল ইসলাম ও ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সকাল ৮টার দিকে নিহত হাসান ও গণপিটুনিতে নিহত আকবর আলীর লাশের সুরাতহাল রিপোর্ট সংগ্রহ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু এহসান মো. ওয়াহেদ রাজু জানান, উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতের কারণে হামিদুল ইসলামের শরীরে অসংখ্যা ক্ষত হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী রেফার করা হয়েছে। আহত স্কুলছাত্রীকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় মোমিনপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার বলেন, ধর্ষণচেষ্টাকারী আকবর আলী বেশ কিছুদিন ধরে ওই গ্রামে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিল। ভ্যানে করে গ্রামে সবজি বিক্রির ব্যবসা করলেও তার স্বভাব চরিত্র খারাপ ছিল। এর আগেও সে গ্রামের এক নারীকে ধর্ষণের সময় হাতেনাতে আটক হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের জন্যই মূলত ওই বাড়িতে হানা দেয় আকবর আলী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রুহুল কুদ্দুস ভুঁইয়া
২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৪:২৭

একই গ্রামে একই ঘটনা আগেও ঘটায়ে সে ঐখানে টিকে থাকে কি করে? এইবার তার বিরুদ্ধে যেই ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে তা ওই সময়ই নেওয়া উচিত ছিলো।

অন্যান্য খবর