× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
কুষ্টিয়ায় সেবিকার বস্তাবন্দি লাশ

এজাহার থেকে আসামির নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ

বাংলারজমিন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৭:৪৪

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে বিলকিস আক্তার (৪০) নামের এক ক্লিনিক নার্সের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের পর এজাহার থেকে আসামির নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কুমারখালী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগ তুলে এবং প্রকৃত জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার। রোববার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ পাঠ করে শোনান মামলার বাদী নিহতের ভাই পারভেজ হোসেন এবং স্বামী রফিকুল ইসলাম। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, নিহতের মা মর্জিনা খাতুন (৯০), কন্যা কুয়াশা ইয়াসমিন (১৭)সহ নিহতের লাশ প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরিবারের অভিযোগ, একজন সুঠামদেহী সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষকে নৃশংসভাবে একাধিক ব্যক্তি যৌন নির্যাতন শেষে হত্যা, বস্তাবন্দি এবং তা দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে খালের পানিতে ভাসিয়ে দেয়া কোনোভাবেই একক কোনো ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার যোগসূত্র থাকার পরও পুলিশ নিজের মতো করে কেবল জসিম নামের একজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড এবং তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সৌপর্দ করেন। অথচ মামলার এজাহারে জড়িত সন্দেহে একাধিক ব্যক্তি নাম দেয়া হলেও সেগুলো বাদ দিয়েছেন কুমারখালী থানার (ওসি তদন্ত) সুভ্র প্রকাশ দাস। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস বলেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন। এ বিষয়ে এ মুহূর্তে খুব বেশি কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে তদন্তকালে পরিবারের দেয়া অভিযোগের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে। এজাহার নামীয় আসামির বাইরেও যদি কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তা অবশ্যই তদন্ত প্রতিবেদনের উঠে আসবে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ই আগস্ট বিকাল থেকে নিখোঁজের চারদিন পর ২০শে আগস্ট কুমারখালী উপজেলার কাঞ্চনপুর বাঁশের সাঁকো নামক এলাকায় জিকে খাল থেকে ওই ক্লিনিক নার্স কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়াস্থ রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বিলকিস আক্তারের অর্ধগলিত বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজের পর কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল পরিবারের পক্ষ থেকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর