× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

‘বেতনভুক্ত রাজাকারদের’ তালিকা সংগ্রহের উদ্যোগ

দেশ বিদেশ

সংসদ রিপোর্টার | ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৯:৩৮

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকারের বেতনভুক্ত রাজাকারদের তালিকা সংগ্রহ করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কাজ শুরু করেছে। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেতনভোগী রাজাকারদের তালিকা সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। জেলা পর্যায়ে রাজাকারদের তালিকা সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,জেলায় জেলায় রেকর্ড রুমে রাজাকারদের তালিকা আছে। সেখান থেকে সংগ্রহ করে তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। তালিকা প্রণয়নের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,এটা ডিসিদের ওপর নির্ভর করছে। তারা যতো তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করতে পারে ততো ভালো। এর আগে গত ২৬ মে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় জানায়-রাজাকার,আল বদর,আল শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যদের তালিকা সংগ্রহ করে তা রক্ষণাবেক্ষণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আধা সরকারি (ডিও) চিঠি পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,রাজাকারদের তালিকা প্রণয়নে সব জেলা প্রশাসককে চিঠি দেয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি তালিকা প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জানানো হয়। একই বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্র্রাস্টের সম্পত্তি রাজধানীর গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স ভবনের বেজমেন্টে গাড়ি পার্কিংয়ের ইজারাদারের কাছে পাওনা এক কোটি ১৯ লাখ টাকা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাজাহান খান। তিনি বলেন, ওখানে যেন একটা লুটপাটের রাজত্ব চলছে। ইজারাদারের কাছে পাওনা টাকা এক মাসের মধ্যে আদায় করতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই সংসদীয় কমিটি বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তিতে নির্মিত এই ভবনসহ চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের ‘টাওয়ার-৭১’ ও ‘জয় বাংলা বাণিজ্যিক ভবন’-এ অনিয়ম পায়। ওই বৈঠকে গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স ভবনের বেজমেন্ট গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ইজারা নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। এরপর  কমিটির সদস্যরা ওই শপিং কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পার্কিংয়ের জন্য ভাড়া নিয়ে ওই ভবনের বেজমেন্টে গুদাম নির্মাণ করার তথ্যও পেয়েছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে ওই সকল অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন ও বধ্যভূমি সঠিকভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়েছে। শাজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, মইনউদ্দীন খান বাদল,রাজি উদ্দিন আহমেদ,মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) এ বি তাজুল ইসলাম এবং কাজী ফিরোজ রশীদ অংশগ্রহণ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবির
২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ২:১০

যারা ঐ সময় সরকারী ভাতা খাইত, তাগো ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত?

অন্যান্য খবর