× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

মনু থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন হুমকির মুখে গ্রাম

বাংলারজমিন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৭:২৪

মৌলভীবাজারে মনু নদী হতে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার ও ভলগেট মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে সদর উপজেলার ৪টি গ্রাম। তাই বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করেছেন। তারপরও বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন। এখন আখাইকুড়া ইউনিয়নের ৪টি গ্রামের মানুষ নদী ভাঙনের ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইকুড়া ইউনিয়নের চানপুর, সুমারাই, আমুয়া শুয়াইজুড়ি গ্রামের বাসিন্ধারা পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারে কাছে বালি উত্তোলনে তাদের এলাকায় যে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে তা জানিয়ে বালি উত্তোলন বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ২১শে জুলাই একটি আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে একজন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সরজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন ইওডঞঅ কর্তৃক মনুমুখ ও চানপুর এলাকায় ড্রেজিং করার ফলে উক্ত এলাকায় নদীর গভীরতা ও নাব্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই এলাকায় নদীর ংপড়ঁৎরহম ফবঢ়ঃয বেশি এবং মনু নদীর পতিত মুখ হওয়ার ফলে অঞ্চলটি অত্যন্ত ভাঙনপ্রবণ। পুনরায় উক্ত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করা হলে নদীর গভীরতা ও ংপড়ঁৎরহম ফবঢ়ঃয বেড়ে ভাঙন প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ণিত স্থানসমূহে সিসি ব্লক দ্বারা স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজ বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প প্রনয়ন করা হয়েছে। যা বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনমোদনের প্রক্রিয়াধীন। ফলে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন দেখা দিলে বাপাউবো কর্তৃক তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙন বন্ধ করা সম্ভব হবে না। তাই চানপুর, সুমারাই, আমুয়া, শুয়াইজুরি এলাকার বাড়িঘর, চাষযোগ্য জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ভাঙন প্রবণতা বৃদ্ধি পেলে মনু নদীর প্রাইমারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ মনু সেচ প্রকল্প নদী ভাঙনের হুমকির মুখে পতিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ২৫শে জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবরে পানি উন্নয়ন বোর্ড, মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী লিখিতভাবে বিস্তারিত জানিয়ে অনুরোধ জানান বালু উত্তোলন বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের। এলাকাবাসীর পক্ষে কয়েছ মিয়া, সেলিম মিয়াসহ কয়েকজন গত ১লা সেপ্টেম্বর বালু উত্তোলন বন্ধ করার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেন। কিন্তুু এখনো বালুুুুুুুুুুুু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। নদী ভাঙন আতঙ্কে আছে এলাকার মানুষ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর