× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ডের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে

দেশ বিদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৮:৩৩

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ডের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। সরকারি হিসেবে ক্যাম্পগুলোতে ৪৬টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রোহিঙ্গাদের নাম জড়িয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ড বা হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। গত ২২শে আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা যুবলীগের স্থানীয় নেতা মো. ওমর ফারুককে হত্যা করে। টর্চের আলো প্রক্ষেপন নিয়ে বাকবিতণ্ডার কারণে এ হত্যকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর নিজ বাড়ি সংলগ্ন ক্যাম্পের পাশেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে টেকনাফ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জন রোহিঙ্গা নিহত হয়।
যদিও কক্সাবাজার জেলায় রোহিঙ্গারা আসার সময় সম্প্রতি নিহত যুবলীগ নেতা মো. ওমর ফারুক তাদের বেশ সহায়তা করেন। উদ্যোগী হয়ে ওমর ফারুক স্থানীয় বাসিন্দাদের সমন্বয় করেন। রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণের ব্যবস্থা করেন। রোহিঙ্গাদের এত সহায়তা দিলেও তারাই ওমর ফারুককে হত্যা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সিআইসি’রা সার্বক্ষণিক ক্যাম্পে অবস্থান না করায় ক্যাম্পের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গারা ইয়াবা পাচার, ডাকাতি, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়াচ্ছে। এসব নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা গ্রুপে গ্রুপে আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এতে বলা হয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সুরক্ষিত নয়। এজন্য প্রতিদিনই রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়ে বিভিন্নভাবে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা থেকে ৫৫ হাজার ১৮৬ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে শনাক্ত করে ক্যাম্প এলাকায় ফেরত পাঠানো হয়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চার হাজার নয় জনকে আটক করে পুনরায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়। ক্যাম্পে আশ্রিত অনেক রোহিঙ্গাদের আত্মীয়-স্বজন বা পূর্ব পরিচিত লোকজন মায়ানমারে অবস্থান করার সুযোগে তারা এখন বিভিন্নভাবে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে তাদের অপরাধ প্রবনতা দিন দিন বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের এ হত্যাকান্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহসাই একটি নির্দেশনা দেবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর