× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

রওশনকে বিরোধী নেতা করে প্রজ্ঞাপন, কাদের উপনেতা

অনলাইন

সংসদ রিপোর্টার | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৫:৫৫

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ ও উপনেতা হিসেবে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সোমবার সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংসদীয় দলের নেতা রওশন এরশাদকে (ময়মনসিংহ-৪) জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী বিরোধীদলীয় নেতা এবং উপনেতা (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) অধ্যাদেশ মোতাবেক (লালমনিরহাট-৩) গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরকে রিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে স্পিকার স্বীকৃতি দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী বিরোধী দলীয় নেতা মন্ত্রী ও উপনেতা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন। এর আগে রোববার বিকালে জাতীয় পার্টির একটি প্রতিনিধি দল সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে দেখা করেন। সে সময় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে রওশন এরশাদের নাম প্রস্তাব করে স্পিকারের কাছে দলটির পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়। রাতে অধিবেশন শেষে জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধি দল স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন।

রওশন এরশাদকে বিরোধী দলীয় নেতা এবং জিএম কাদেরকে বিরোধী দলীয় উপনেতা করার প্রস্তাবটি স্পিকারকে জানিয়ে আসেন।
প্রসঙ্গত, সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে বিরোধী দলীয় নেতার পদটি শূন্য হয়। এ পদে নিয়োগ নিয়ে রওশন ও জিএম কাদেরপন্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জিএম কাদের বিরোধী দলীয় নেতার স্বীকৃতি পেতে স্পিকারকে চিঠি দেন। পরদিন রওশন এরশাদ পাল্টা চিঠি দিয়ে ওই চিঠি গ্রহণ না করার জন্য স্পিকারকে অনুরোধ করেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে দল ভাঙার উপক্রম হয়। পরে দু’পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠক করে জিএম কাদেরকে পার্টির চেয়ারম্যান ও রওশন এরশাদকে বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে সমস্যার সুরাহা করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
TOWHID
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৬:৩২

It is shame for Bangladesh.

অন্যান্য খবর