× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার

শৈলকুপা পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহক হয়রানি চরমে

বাংলারজমিন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:৫৬

শৈলকুপা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির প্রধান ফটকে ঝুলছে দুর্নীতি ও হয়রানি বিরোধী সাইনবোর্ড। আছে গ্রাহককে প্রলুব্ধ করা কত বিলবোর্ড আর স্টিকার। অথচ এর আড়ালেই চলছে গ্রাহক হয়রানির মচ্ছব। গ্রাহক হয়রানি, অনিয়মিত সেবা, অবৈধ জরিমানা আদায়, ভুয়া বিল তৈরি, রাতের আঁধারে ট্রান্সফরমার সরিয়ে কৃত্রিম জনভোগান্তি সৃষ্টি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ অসংখ্য অভিযোগের পাহাড় গড়ে উঠলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। ফলে তারা নিরুপায় হয়ে দুদক অফিসে অভিযোগ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাকিমপুর ইউনিয়নের বাদাপাড়া গ্রামের আকবার আলী নিয়মিত বিকাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতেন। মোবাইলে তার ম্যাসেজ রেকর্ড আছে। গত জুলাই মাসে অফিসের লাইনম্যান বিকাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করার সিস্টেম নেই এই অজুহাতে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। কাঁচেরকোল ইউনিয়নের উত্তর কচুয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মাসুদ রানার কাছ থেকে ইজিবাইক চার্জ দেয়ায় মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। কীর্ত্তিনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক জানান, তার বাড়িতে পানির মোটর গৃহস্থালী কাজে ব্যবহার করা হয়। দুই মাস আগে গরুর গোয়াল পাইপ দিয়ে পরিষ্কার করার সময় অফিসের লোকজন এসে সাইড লাইনের অজুহাত দেখিয়ে জরিমানা আদায় করেন। নিত্যানন্দনপুর ইউনিয়নের ভান্ডারী পাড়া গ্রামের আব্দুল মতিন নিজের ইজিবাইক চার্জ দেয়ার কারণে তার মিটারটি আবাসিক থেকে বাণিজ্যিক করা হয়। সেই থেকে প্রায় তিন বছর নিয়মিত ইজিবাইক চার্জ ও বাণিজ্যিক হিসাবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছিল। গত ৩১শে জুলাই হঠাৎ করে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির লোকজন এসে মতিনের বাড়ির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটারটি খুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে মৌখিকভাবে ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা দিতে বলেন। গত ২৮শে আগস্ট মতিন এ নিয়ে ঝিনাইদহ অফিসে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করায় শৈলকুপা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. কামরুজ্জামান ক্ষুব্ধ হয়ে জরিমানা হিসেবে ৬৯ হাজার ৯৪৪ টাকা আদায়ের জন্য নোটিশ দেন। এভাবে শৈলকুপার গ্রাহকদের হয়রানি করে শৈলকুপা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে শৈলকুপা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. কামরুজ্জামান জানান, শৈলকুপায় কোনো গ্রাহক হয়রানি হচ্ছে না। প্রতিটি পদক্ষেপ আইন মোতাবেক হচ্ছে। তাছাড়া ভান্ডারীপাড়া গ্রামের আ. মতিনের মিটার থেকে বাইপাস করে ইজিবাইক চার্জ দেয়া হতো বলে সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জরিমানা করা হয়েছে। বাণিজ্যিক মিটারে কোনো ইজিবাইক চার্জ দিতে পারবে না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি উত্তর না দিয়ে ফোন রেখে দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর