× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

টিআইবি বিদেশিদের শেখানো বুলি আওড়ায়- ডেপুটি স্পিকার

প্রথম পাতা

সংসদ রিপোর্টার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:০২

জাতীয় সংসদকে নিয়ে দুর্নীতি বিরোধী গবেষণা সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র দেয়া প্রতিবেদনের কঠোর সমালোচনা করেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে পাঠানো টাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসে বিদেশিদের শেখানো বুলি আওড়ায় টিআইবি। বাস্তবের সঙ্গে তার কোন মিল নেই। গতকাল জাতীয় সংসদের আইপিডি সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন। পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস,জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম,প্যান ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু। বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান, আরোমা দত্ত, আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী, সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল ও কাজী কানিজ সুলতানা। অনুষ্ঠানে ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১৯’ শীর্ষক খসড়া বিলটি পাওয়ারপয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপতি নাসিমা আক্তার জলি। অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার বলেন,কিছুদিন আগে টিআইবি জাতীয় সংসদ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। উনারা উনাদের মতো করে কথা বলেন। উনাদের সম্পর্কে আমরা যদি বলি, তাহলে তো মাথায় হাত পড়বে। তিনি আরো বলেন, আমরা (সংসদ সদস্য) জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি। সংসদে জনগণের পক্ষে কথা বলি। আমরাও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে আইন পাস করি, এটা কারও দয়ার টাকা নিয়ে নয়, জনগণের টাকায় তাদের রায় নিয়ে। কিন্তু তাদের (টিআইবি) সেই অধিকার নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে কত টাকা বেতন নেন, সে হিসেব কি কেউ দেন? প্রসঙ্গত, গত ২৮শে আগস্ট দশম জাতীয় সংসদের ওপর টিআইবি পরিচালিত ‘পার্লামেন্ট ওয়াচ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে সংসদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা বিষয়ক একটি আইন অবশ্যই প্রয়োজন। জাতীয় সংসদে আইন বিষয়ক একটি কমিটি রয়েছে। তাদেরকে দিয়ে এই খসড়াটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে সেটিকে শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতির নিকট প্রেরণ করা হবে। তিনি ককাসের সদস্যবর্গসহ বিশেষজ্ঞগণ, সুশিল সমাজ, এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সভার আহ্বান করবেন। এরপর বিলটি চূড়ান্ত করতে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ সময় তিনি শিশু আদালত গঠনের উপরও গুরুত্বারোপ করেন। এরপর শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি শামসুল হক টুকু ডেপুটি স্পিকারের হাতে ওই বিলের খসড়াটি হস্তান্তর করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mobasshir
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১১:৩১

Mrer chinta nai

Akbar Hossain
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৫:৫১

Be good and speak the truth before you die.

Mizanur Rahman
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৫:২০

The world unashamed person.

অন্যান্য খবর