× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

তাজিয়া ও শোভাযাত্রা ছাড়াই কাশ্মীরে মহরম

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৫:১৮

ঈদের সময় নিরাপত্তার কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করা হলেও মহরমে কোন শিথিলতাই দেয়নি প্রশাসন। ফলে মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরে মহরম পালিত হয়েছে কোনও রকম তাজিয়া ও শোভাযাত্রা ছাড়াই। নিরাপত্তায় মোড়া ছিল সর্বত্র। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ ও তা নিয়ে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মহরমের শোভাযাত্রার এ বার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন।

অবশ্য মহরমের প্রস্তুতি হিসাবে রাস্তার ধারে কালো পতাকা টাঙানো হয়েছিল। এক থমথমে পরিবেশে জন শূণ্য অবস্থায় কাশ্মীরে মহরম পালিত হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় পাঁচশো মিটার অন্তর ছিল ব্যারিকেড। সর্বত্র মোতায়েন ছিল আধা সামরিক বাহিনী। ভারত সরকার কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করলেও সেখানকার পরিস্থিতি যে মোটেই অনুকূল নয় তা স্পষ্ট হয়েছে মহরমে তাজিয়া ও শোভাযাক্রার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তে।

প্রশাসনিক কর্তাদের  মতে, মহরমের জমায়েত হলে তার সুযোগ নিয়ে উপত্যকায় গন্ডগোল বাধানো হতে পারতো। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারতো। তাই ঝুঁকি নিতে চায় নি প্রশাসন।  সংবাদ মাধ্যম সুত্রে বলা হয়েছে, স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, নব্বইয়ের দশকের কঠিন সময় বা তার পরেও মহরমের দিন এমন ছবি কাশ্মীরে দেখা যায়নি। স্থানীয়দের অনেকেই মূল রাস্তাকে বাদ দিয়েই এলাকায় ছোট ছোট জমায়েতের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু,সে সবের উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতির উপর নজর রেখেই যে কোনও ধরনের জমায়েত বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো ও ছররা বন্দুক ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

শ্রীনগর মিউনিসিপ্যাল কমিটির সদস্য তনভির পাঠান অভিযোগ করেছেন, আমরা নিজের এলাকায় গলিতে মিছিল বার করেছিলাম। নিরাপত্তারক্ষীরা পাহারা দিচ্ছিলেন। তার পরেই তারা টিয়ার গ্যাসের শেল ও ছররা ছোড়ে।  রাস্তায় পাণি বিতরণের সময় কয়েক জন যুবককে মারধরের অভিযোগও উঠেছে নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে। ১৯৮৯ সালের আগে কাশ্মীরে মহরমে বড় বড় জমায়েত হতো। কিন্তু, ওই সময়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বাড়তে থাকায় তার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। অবশ্য তার পরেও শ্রীনগর, বদগাম বা বারামুলা এলাকায় মহরম উপলক্ষে বড় জমায়েত দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ  বার অবশ্য কাশ্মীরের কোথাও  সে ছবি দেখা যায়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর