× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

আরও এক জেএমবি জঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:১৯

ভারতে আরও এক জেএমবি জঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) গোয়েন্দারা। কলকাতা পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, জেএমবি জঙ্গী গোষ্ঠীর প্রথম সারির নেতা আসাদুল্লাহ শেখ ওরফে রাজাকে মঙ্গলবার ভোররাতে চেন্নাইয়ের থোরিয়াপক্কনম এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে তিন মাস ধরে সেখানে ভাড়া ছিল বলে পুলিশ দাবি করেছে। তার ঘরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে। আসাদুল্লাহর বাড়ি বর্ধমানের ভাতারে। গোয়েন্দাদের মতে, জেএমবি সংগঠনে সে বীরভূমের ইজাজের সমসাময়িক। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ পরবর্তী সময়ে জেএমবির বীরভূম-বর্ধমান-মুর্শিদাবাদ মডিউলের সব সদস্যই পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে দক্ষিণ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। ওই গা-ঢাকা দেওয়া সদস্যদের মধ্যে আসাদুল্লাহও ছিল। ইজাজের মতোই সে মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। পরবর্তীতে নিজেও প্রশিক্ষকের ভূমিকা পালন করেছে। এর আগে এ মাসের প্রথম দুই দিনে এসটিএফ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে তিন জেএমবি জঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে। আর গত ২৬ আগষ্ট বিহার থেকে জেএমবির ভারতীয় শাখার আমীর বীরভূমের ইজাজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত সোমবার কলকাতা স্টেশনের কাছে উল্টোডাঙ্গার রাইচরণ সাধুখাঁ রোডে মোহম্মদ আবুল কাশেম নামে জেএমবি-র এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। তার বাড়ি বর্ধমানের মঙ্গলকোটের দুরমুট গ্রামে। কাশেম এবং ইজাজকে জেরা করে ইটাহারের আব্দুল বারি এবং নিজামুদ্দিন খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মালদহের সামসি থেকে। ফলে গত একমাসে কলকাতা পুলিশ মোট ৫ জন জেএমবি জঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ইজাজের অন্যতম সহযোগী কাশেমকে জেরা করে জানা যায় আসাদুল্লাহর নাম। চেন্নাইয়ের ডেরার হদিস পাওয়া যায়। জানা গেছে, বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণের জন্য তৈরি করা সংগঠনের ধুলিয়ান মডিউলকে গড়ে তোলা, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং বিস্ফোরণের পরিকল্পনার পিছনে যে দলটি কাজ করেছিল, তার মধ্যে আসাদুল্লাহও ছিল। ইজাজের সঙ্গী হিসাবে সে কাজ করছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, চেন্নাইয়ে ঘাঁটি করে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে মাস কয়েক আগেই সে এসেছিল। পুরনো কয়েকটি ঘাঁটিতে গিয়ে সে সংগঠনের প্রতি ‘সহৃদয়’ কয়েক জনের সঙ্গে দেখাও করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর