× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শতবর্ষী সেই আয়েশাকে খাদ্য উপকরণ সহায়তা

বাংলারজমিন

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:২০

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের বানিপাট্টা গ্রামের শতবর্ষী আয়েশা খাতুনকে খাদ্য উপকরণ সহায়তা দেয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকালে হুসাইনীয়া দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসব খাদ্য উপকরণ সহায়তা দেয়া হয়। সম্প্রতি মানবজমিনসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘শতবর্ষী আয়েশার ভাগ্যে জোটেনি ভাতার কার্ড’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে শতবর্ষী সেই আয়েশা খাতুনকে দ্রুত বয়স্কভাতা কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়। গত সোমবার বিকালে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন আয়েশা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে বয়স্কভাতার কার্ড তুলে দেন। এর পরদিন মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার তারাকান্দি এলাকার সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হুসাইনীয়া দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ওই বৃদ্ধাকে বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ দিয়ে সহায়তা করা হয়। খাদ্য উপকরণের মধ্যে চাল, চিনি, সেমাই, তেলসহ বিভিন্ন উপাদান রয়েছে। এ সময় হুসাইনীয়া স্বেচ্ছাসেবী তওহীদি যুব সংঘের সভাপতি মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক এনাম, হুসাইনীয়া দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোকারিম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পারভেজ, সদস্য মারুফ হোসাইন, দ্বীন ইসলাম, সোহেল মিয়া ও শামীম আহমেদসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। হুসাইনীয়া দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোকারিম হোসেন বলেন, আমাদের সংগঠনটি স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠন। সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের কল্যাণের ব্রত নিয়ে কাজ করছি। সম্প্রতি মানবজমিনে শতবর্ষী আয়েশা খাতুনকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ পড়ে আমরা জানতে পারি ওই বৃদ্ধা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই সামান্য খাদ্য উপকরণ দিয়ে তার পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতে সাধ্যমতো আরো সহযোগিতার চেষ্টা করবো। উল্লেখ্য, শতবর্ষী আয়েশা খাতুন স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে জাহানারাকে নিয়ে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের বানিপাট্টা গ্রামে ভাইপুত্র চান মিয়ার বাড়িতে বসবাস করছেন। তার স্বামী উপজেলার ডিক্রিরচর গ্রামের খুরশিদ উদ্দিন মারা যান প্রায় ৫৫ বছর আগে। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছেন আয়েশা খাতুন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর