× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

জাল দলিল করে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি

বাংলারজমিন

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৭:৪২

কুমিল্লার দেবিদ্বারে জাল স্বাক্ষর, ছবি, ভুয়া রেজুলেশন ও সিল ব্যবহার করে চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাইস্কুলের চার শতাংশ জমি এওয়াজ দলিল করার ঘটনায় অভিযুক্ত ৭ প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন। গত রোববার কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটের আমলী ৪নং আদালতে এ মামলা করা হয়। প্রতারক চক্রের ওই ৭ ব্যক্তি হলো, জমি গ্রহীতা মো. সাইফুল ইসলাম, জাল ছবি ও স্বাক্ষর প্রদানকারী মো. গোলাম মোস্তফা মিলন, শনাক্তকারী আ: গফুর ও কাইয়ুম সরকার, জাল দলিল প্রস্তুতকারী (মুহুরি) মো. রুহুল আমীন, সহায়তাকারী মো. মকবুল হোসেন আকন্দ ও বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. বদিউল আলম সরকার ওরফে বদি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতারক চক্রের মূল সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন নিজে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেজে ২০১৪ সালের ৫ই মে দেবিদ্বার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে উপজেলার চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাইস্কুলের চার শতাংশ জমি জাল স্বাক্ষর, ছবি, ভুয়া রেজুলেশন ও সিল ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে জমি গ্রহীতা চান্দপুর রিফাত ডেইরি ফার্ম লি. এর মালিক মো. সাইফুল ইসলামের নামে এওয়াজ দলিল করেন। এ সময় প্রতারক চক্রের আরো ৬ ব্যক্তি তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। এ নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আবদুস সালাম ভূঁইয়া বিদ্যালয়ে জরুরি সভা আহ্বান করেন। ওই সভায় প্রতারক চক্রের কয়েকজন উপস্থিত গ্রামবাসীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিমিয়ে জাল স্বাক্ষর, ছবি, ভুয়া রেজুলেশন ও সিল ব্যবহার করে জমি এওয়াজ করার কথা স্বীকার করেন।
মামলার বাদী ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের সম্পত্তি প্রতারণা করে বিক্রির ঘটনায় প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। ওই চক্রটি গ্রামবাসীর কাছে তাদের অপকর্মের কথা স্বীকার করেছেন। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জমি ফিরিয়ে আনা হবে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও মামলার ১ম সাক্ষী মো. আবদুস সালাম ভূঁইয়া জানান, ওই প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সম্পত্তি সম্পর্কে অডিট করা হবে। অডিটে অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে কেউ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা বলেন, প্রতারক চক্রের এ কাজটি খুবই নিন্দনীয়। আইনের মাধ্যমে প্রতারক চক্রটির শাস্তি হোক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর