× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

হাটহাজারীতে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন

বাংলারজমিন

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:১১

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবাধে চলছে পাহাড় কাটা। অসাধু বালুখেকোদের করালগ্রাসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে কয়েকটি পাহাড়। প্রশাসনের অগোচরে চলছে পাহাড় নিধন। ৩নং মির্জাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা মো. ইসমাইল ও মো. মুনছুর এই পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কালা বাদশা পাড়ার পশ্চিমের কয়েকটি পাহাড়ের মাটি কেটে সাবাড় করেছে পাহাড়খেকোরা। সেই সাথে খাল থেকে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। এতে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, অন্যদিকে ক্রমাগত বালু তোলায় ভূমিহীন হচ্ছে খাল পাড়ের মানুষ।  সরজমিনে দেখা যায়, আগা ফার্মের উত্তরে পাহাড়ি ঢালু দিয়ে বয়ে গেছে মরা ছড়া। সে পাহাড়ের মাটি কাটার পাশাপাশি মরা খাল থেকে বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে পাহাড় ও বালু খেকো ইসমাইল ও মুনছুর। যারা নিজেদের সরকার দলের নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েকটি পাহাড় কেটে সাবাড় করে ফেলেছে। পাহাড়ের মাটি তারা কৌশলে খালে ফেলে সেখান থেকে বালু হিসেবে তুলে পাচার করছে। পাহাড় ও বালু খেকোদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মতে, পাহাড় কাটার কারণে একদিকে খাল ভরাট হয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এতে চাষাবাদের সেচ কাজে চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। অন্যদিকে অবাধে বালু তোলায় খালে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে অনেকের ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়ে নিস্ব হচ্ছে।   
পাহাড় কাটা ও বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বালু খেকো ইসমাইল নিজেকে ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা হিসেবে দাবি করে বলেন, বর্তমান সরকারের লোক হয়েও কোনো চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করছি না। সামান্য খাল থেকে বালু উত্তোলন করে সংসার চালাচ্ছি। এতে দোষের কিছুই নেই। এদিকে মির্জাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সমপাদক মো. সালাউদ্দিন বলেন, ইসমাইল ইউনিয়ন কমিটির কোনো পদে নেই। এখন সে নিজেকে যুবলীগের নেতা দাবি করছে তা আমার জানা নেই। সে সরকারি পাহাড় কেটে খাল থেকে বালু উত্তোলন করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। অপরাধী কারো দায় আমরা নেব না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বলেন, সরকারি পাহাড় কাটা ও খাল থেকে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এতে পরিবেশে নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সরকারের একটা বিরাট ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি যখন জেনেছি এর দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অতীতের মতো হাটহাজারীতে পাহাড় কাটা, খাল থেকে বালু উত্তোলনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর