× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদিন খুন হচ্ছে ৫৮ জন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ১১:২৮

দক্ষিণ আফ্রিকায় টানা সপ্তম বছরের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে খুনের হার। বর্তমানে সেখানে গড়ে প্রতিদিন ৫৮ জন মানুষ খুন হচ্ছেন। গত বছরের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত গড়ে প্রতি আধাঘণ্টায় হত্যার শিকার হচ্ছেন একজন মানুষ। গত ছয় বছরে হত্যাকা-ের হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ শতাংশ। সব মিলিয়ে গত এক বছরে খুন হয়েছে ২১ হাজার ২২ জন। এর মধ্যে ৭৩৬টি হত্যাকা- ঘটিয়েছে শিশুরা। হত্যাকা- ছাড়া বেড়েছে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, বাণিজ্যিক অপরাধ সহ অন্যান্য অপরাধও। সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে দ্য টাইমস ও বিবিসি।
খবরে বলা হয়, সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে সংঘটিত অপরাধের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির পুলিশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটে। তখন থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে খুনের হার ৫৫ শতাংশ কমে গিয়েছিল। ওই সময়ের দিকে ইঙ্গিত করে পুলিশমন্ত্রী ভেকি সেলে বলেন, এই প্রতিবেদন দক্ষিণ আফ্রিকার আইন ও শৃঙ্খলার কোনো সন্তুষ্টজনক চিত্রের প্রমাণ নয়। ২০১২-১৩ সাল থেকে কী হয়েছে? আমাদের এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।
এদিকে, খুনের পাশাপাশি বেড়েছে যৌন নির্যাতনও। পুলিশের প্রতিবেদন অনুসারে, এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে যৌন নির্যাতনের হার ৯.৬ শতাংশ ও ধর্ষণ বেড়েছে ৩.৯ শতাংশ। গত বছরর সব মিলিয়ে ৫২ হাজার ৪২০টি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া অগ্নিসংযোগ বেড়েছে ৫.৫ শতাংশ, বাণিজ্যিক অপরাধ বেড়েছে ১৪ শতাংশ, হত্যাচেষ্টা বেড়েছে ৪.১ শতাংশ ও সাধারণ হামলা বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট জ্যাকম জুমার আমলে অপরাধ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেছে। দীর্ঘ নয় বছর শাসনের পর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। অপরাধের বিচার ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্যারেস্থ নিউহ্যাম বলেন, জুমার শাসনামলে ও তার পরবর্তী সময়ে অপরাধের মাত্রা বাড়া কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। জুমা ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ী পুলিশের বাজেট ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়। কিন্তু এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের বদলে উচ্চ পর্যায়ে নিয়োগ দেয়া হয় অদক্ষ জেনারেলদের। এদের অনেকের বিরুদ্ধেই দুর্নিতীর অভিযোগ রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর