× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
নান্দনিক শহর গড়তে ১৮শ’ কোটি টাকার প্রকল্প

খোয়াই নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৯:০০

 আজ থেকে শুরু হচ্ছে হবিগঞ্জের সাধারণ মানুষের বহুল প্রত্যাশিত পুরাতন খোয়াই নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। এরই মধ্যে নদীর সীমানা নির্ধারণের কাজ শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে উচ্ছেদ অভিযান। গতকাল বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উচ্ছেদ অভিযানের ব্যাপারে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ। তিনি উচ্ছেদ অভিযানের ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসটি) মো. শামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ বলেন, হবিগঞ্জ শহরকে নান্দনিক ও নিরাপদ করতে ইতিমধ্যে ১৮শ’ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি একনেটে উপস্থাপনের অপেক্ষায় আছে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে হবিগঞ্জ। আমি হবিগঞ্জকে একটি নান্দনিক জেলায় রূপান্তরিত করে যেতে চাই। ইতিমধ্যে আমরা জেলায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। খোয়াই নদীর বাঁধ মেরামতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। শহরের বাইপাস সড়কে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি।
এখন শুরু হচ্ছে শহরের ভিতরের দীর্ঘদিন দখলদারদের উদরে থাকা পুরাতন খোয়াই নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। এটি হবিগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। আমি এ কঠিন কাজটি সমাপ্ত করতে চাই। সরকারি, বেসরকারিসহ সকল প্রভাবশালীদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আমরা দৃষ্টিনন্দন লেক প্রতিষ্ঠা করে হবিগঞ্জকে বাংলাদেশের মধ্যে নান্দনিক জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এ জন্য আমি সর্ব মহলের সহযোগিতা চাই। আমার বিশ্বাস সকলের সহযোগিতা পেলে আমি এ বড় উদ্যোগটিকে সফলতা দিতে পারব।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর