× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

রূপগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৮:৪৯

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পূর্বগ্রাম এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক  নেতার নামে প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের অংশবিশেষসহ ১০টি জাহাজ নির্মাণ শিল্প কারখানা (ডকইয়ার্ড) ও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের দেয়াল উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ সময় প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের ভেতরে তৈরি করা স্তূপীকৃত বিপুল পরিমাণ সিমেন্টের ব্লক নিলামে বিক্রি করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ। এ সময় প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের জন্য বালু দিয়ে ভরাটকৃত জমির আংশিক ভেকু দিয়ে  কেটে দেয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল  থেকে বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের  নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল জানান, প্রায় দুই বছর  আগে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পূর্বগ্রাম এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে প্রায় এক একর জমি দখল করে বালু ফেলে ভরাট করে সেখানে ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার নামে প্রস্তাবিত  স্টেডিয়াম গড়ার চেষ্টা করা হয়। কয়েক মাস ধরে সেখানে খেলার উপযোগী মাঠের ব্যবস্থা না করে পাথরের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী। নদীর দখল হওয়া সেই জমি উদ্ধার করার জন্য মঙ্গলবার সকাল থেকে বিআইডব্লিউটিএ অভিযান চালায়। অভিযানে প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের জায়গায় অবৈধভাবে তৈরি করা স্তূপীকৃত বিপুল পরিমাণ সিমেন্টের ব্লক নিলামে ২ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়। এমনকি প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের জন্য বালু দিয়ে ভরাটকৃত জমির আংশিক ভেকু দিয়ে  কেটে দেয়া হয়।
নদীর দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে যুগ্ম পরিচালক আরো জানান।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা  গেছে প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামের জন্য  কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতাকর্মী নদীর তীর দখল করে সেখানে স্টেডিয়ামের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে জমি দখলের পাঁয়তারা করে আসছিল। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় ১০টি অনুমোদনহীন জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের (ডকইয়ার্ড) অংশবিশেষ ও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের  দেয়াল গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) শফিকুল হক, উপ- পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ প্রমুখ। অভিযানে বিআইডব্লিউটিএ’র দুটি এস্কাভেটর (ভেকু), একটি উচ্ছেদকারী জাহাজসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর