× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
আহ্বায়ক পলাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন

খুলনা মহানগর যুবলীগের ২৫ সদস্যের নতুন কমিটির মেয়াদ ৯০ দিন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:৪৩

 ১১ বছর ৮ মাস চলার পর অবশেষে পুরাতন কমিটি ভেঙে দিয়ে মহানগর যুবলীগের ২৫ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হলো। আর তার মেয়াদ হচ্ছে ৯০ দিন। নেতৃত্বে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের দুই নেতা। মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশকে আহ্বায়ক ও বর্তমান সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। গত ১৫ই সেপ্টেম্বর যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুুর রশীদ এ কমিটি অনুমোদন করেন। যুবলীগের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা যায়, নগর যুবলীগের এ আহ্বায়ক কমিটি ৯০ দিনের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মহানগরের আওতাধীন সকল থানা ও ওয়ার্ডের কাউন্সিল সম্পন্ন করতে হবে। পরে মহানগর শাখার কাউন্সিলের আয়োজন করতে হবে।
মঙ্গলবার আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কসহ ২৫ সদস্যের নতুন এই কমিটি নবনির্বাচিত আহ্বায়ক সফিকুর রহমান পলাশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কমিটির অন্যরা হচ্ছেন- সদস্য এসএম হাফিজুর রহমান, রজি ইসলাম নদী, কামরুল ইসলাম, আবদুল কাদের শেখ, অ্যাডভোকেট আল-আমিন, মো. আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, নজরুল ইসলাম দুলু, শওকত হোসেন, শেখ মো. আলী, অভিজিত চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা শিকদার, কাজী ইব্রাহিম মাশাল, জুয়েল হাসান দিপু, সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, মহিদুল ইসলাম মিলন, মশিউর রহমান সুমন, মেহেদী মোড়ল, কেএম শাহিন, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পলাশ ও সুজন সিনিয়রদের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ায় তাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে। সফিকুর রহমান পলাশ ২০০৩ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত নগর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি নগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নির্বাহী সদস্যের দায়িত্বে ছিলেন। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব ছাড়ার পর যুবলীগের কর্মকাণ্ডে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন। খুলনা সিটি নির্বাচন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সর্বক্ষেত্রে রাজপথে তার সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। অন্যদিকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য। তিনি ২০১০ সালে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপ-পাঠাগার সম্পাদক, ২০১৫ সালে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহসভাপতি নির্বাচিত হন। সূত্রটি আরো জানায়, মহানগর যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৩ সালের এপ্রিলে। তারপর শেখ হাসিনা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি মহানগর যুবলীগের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এরপর আর আলোর মুখ দেখেনি মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। দীর্ঘ বিরতির পর উড়িয়ে দিয়ে পুরাতন কমিটি বাতিল করে নতুন নেতৃত্বের হাতে দলকে তুলে দিলেন নীতি নির্ধারকরা। সদ্য ঘোষিত নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদায়ী আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সরদার আনিছুর রহমান পপলু। তিনি বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে নগর যুবলীগ আরো শক্তিশালী হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে নিজেদের বিলিয়ে দেবে। সূত্রমতে, মহানগর যুবলীগের মোট কাউন্সিলর ৭৩৬ জন। এর মধ্যে নগরীর আওতাধীন ৩৬টি ওয়ার্ড ও ৫টি থানায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ৬৮৫ জন। এর সঙ্গে যোগ হবে নগর যুবলীগের ৫১ সদস্যের কমিটির ভোট। দীর্ঘদিন পর এই কমিটি ঘোষণায় মহানগর যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। একই সঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অনেক নেতাকর্মী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর