× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

এবারো পদক নিয়ে সন্দিহান সাইক্লিং

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫০

দীর্ঘদিন ধরেই স্থবির সাইক্লিংয়ে গতি ফেরাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন ফেডারেশন সভাপতি শফিউল্লাহ আল মুনীর। গৌহাটিতে হারিয়ে ফেলা পদক নেপালে পুনরুদ্ধার করতে চান ফেডারেশনের নতুন এই সভাপতি। তবে পর্যাপ্ত অনুশীলন, প্রয়োজনীয় ইকুয়েপমেন্টের অভাবে সাফল্য নিয়ে সন্দিহান সাইক্লিস্টরা।
নেপাল এসএ গেমসের জন্য ১৫ জুলাই ১৬ জন সাইক্লিষ্ট ও তিন কোচকে নিয়ে গোপালগঞ্জে শুরু হয় সাইক্লিংয়ের ক্যাম্প। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর সাইক্লিষ্টদের সংখ্যা কমে নেমে আসে ১০ জনে। চারটি ইভেন্টে অনুশীলন করছেন সাইক্লিস্টরা। এগুলো হলো- ছেলেদের ১০০ ও ৪০ কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল পারস্যুট এবং নারীদের ৮০ ও ৩০ কি কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল পারস্যুট। তবে গেমসের একটি ইভেন্ট নিয়ে সন্দিহান ক্যাম্প কমান্ডার ইমাম হোসেন সোহাগ।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ছেলেদের ১০০ কিলোমিটার ও মেয়েদের ৮০ কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল পারস্যুট আসলে আন্তর্জাতিক সাইক্লিং ইউনিয়ন (ইউসিআই) এবং এশিয়ান সাইক্লিং কনফেডারেশন (এসিসি) অনুমোদিত নয়। এ দু’টি ইভেন্ট মূলত মাস স্টার্ট বা রোড টিম ট্রায়াল হবে। বিষয়টি নিয়ে ভারতও আমাদের সঙ্গে একমত। তাই এখন ইভেন্টটি কি হবে তা আমাদের জানায়নি নেপাল।’
গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গীপাড়া এবং ভাটিয়াপাড়া রোডে চলছে সাইক্লিষ্টদের এই অনুশীলন। গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গীপাড়া ২০ কিলোমিটার এবং গোপালগঞ্জ টু ভাটিয়াপাড়া ৩০ কিলোমিটার পথ। ফলে ১০০ কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল পারস্যুটে গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গীপাড়ায় যাওয়া ও আসায় ৪০ কিলোমিটার এবং ভাটিয়াপাড়ায় যাওয়া আসায় আরও ৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিচ্ছেন সাইক্লিষ্টরা।
এভাবেই ১০০ কিলোমিটার সাইক্লিং করছেন তারা। শফিউল্লাহ আল মুনীর বলেন, ‘দেশের সাইক্লিংয়ের গৌরব ফেরাতে চাই আমরা। তাই কঠোর পরিশ্রম করছেন সাইক্লিষ্টরা। নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যেই তারা ক্যাম্প চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই ছেলেদের ৪০ ও নারীদের ৩০ কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল পারস্যুটে রুপা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি আমরা।’ তবে সব ছাপিয়ে একটি ভেলোড্রামের জন্য হাপিত্যেশ করছেন সাইক্লিষ্টরা। সুবর্ণা বর্মন বলেন, ‘আমাদের দেশে কোন ভেলোড্রাম নেই। একটি ভেলোড্রাম থাকলে আমরা ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিতে পারতাম।’ এসএ গেমসের ক্যাম্পের সাইক্লিষ্টরা হলেন- রিপন কুমার বিশ্বাস, আবদুস সবুর, সিরাজুল ইসলাম, খন্দকার মাহাবুব, শিল্পি খাতুন, সুবর্ণা বর্মন, সমাপ্তি বিশ্বাস, শরীফা আক্তার, নিশি খাতুন ও রুমি খাতুন এবং দু’কোচ ওয়ালিদ হোসেন ও আশরাফুল ইসলাম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর