× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার
রিফাত হত্যা

৯ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শেষের পাতা

বরগুনা প্রতিনিধি | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৪

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। এ সময় আদালত এ মামলায় পলাতক নয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে শুনানি শেষে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ চার্জশিট গ্রহণ করেন।

এদিকে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র শুনানির দিন ধার্য থাকায় মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে আসেন মিন্নি। এরপর আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়াার আগ পর্যন্ত বাবার সঙ্গেই আদালতের একটি কক্ষে অবস্থান করেন তিনি। অপরদিকে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা এ মামলার অপর সাত অভিযুক্ত আসামিকেও আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালতে মিন্নির হাজির হওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আদালত প্রাঙ্গণে মিন্নিকে দেখার জন্য ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। আদালত প্রাঙ্গণের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, শুনানি শেষে রিফাত হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পলাতক নয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার চার্জ গঠনের জন্য আগামী ৩রা অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন সব আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়।

মো. মজিবুল হক কিসলু বলেন, রিফাত হত্যা মামলার শুনানির আগে মো. সাগর, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, রাফিউল ইসলাম রাব্বির জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত সূত্র জানা যায়, ১লা সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী মিন্নিসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির।

বুধবার সকালে অভিযোগপত্রের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মামলার মূল নথি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় শুনানি শুরু হতে বিলম্ব হয়। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী অভিযোগপত্র শুনানির জন্য দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করেন।
এদিন শুনানির জন্য বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা রিফাত হত্যাকাণ্ড মামলার সাত আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তারা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. রাফিউল ইসলাম রাব্বি ও মো. সাগর।
এছাড়া এ মামলায় জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ আদালতে উপস্থিত হন তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে। বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে যান মিন্নি। শুনানি শুরু হওয়ার আগেই আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, রিফাত হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। এদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৩০২, ৩৪, ১৩৯, ১২০ (বি-১) ধারায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি শিশু-কিশোর অভিযুক্তদের অভিযোগ আমলে নিয়ে সেই আদেশ শিশু আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
রিফাত হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ২৪ জনের মধ্যে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্ত মো. মুছা, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, মো. হাসান, কিশোর অভিযুক্ত মো. আবদুল্লাহ ওরফে রায়হান, মো. সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ ওরফে মহিবুল্লাহ, মারুফ মল্লিক, প্রিন্স মোল্লা পলাতক। মামলার এজাহারে প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর