× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
রংপুর উপনির্বাচন

আমার স্বামী খুনি না: রিটা রহমান

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:০৭

রংপুর-৩ সদর আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপ-প্রচার শুরু করেছে কুচক্রী মহল। তিনি বলেন, খুনির স্ত্রী বলে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে আমার দলীয় লোকজনের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। যা চরম অন্যায়। গতকাল স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার স্বামী খায়রুজ্জামানকে বারবার বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যা মামলার আসামি বলে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধান কার্যালয় তার স্বামীকে ভারতের আহমেদাবাদ নগরে প্রশিক্ষণে পাঠিয়েছিলেন। যার কারণে বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলায় খায়রুজ্জামানকে চার্জশিটভুক্ত করা হয় নাই। তা সত্ত্বেও খায়রুজ্জামানকে ১৯৯৬ সালে ১৩ই আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয়।
কোনো নির্দিষ্ট চার্জ ছাড়াই তাকে ৩ বছর ৭ মাস কারারুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল খায়রুজ্জামানকে বিবেকের বন্দি হিসেবে ঘোষণা করে। এই সংবাদ প্রচারের পর তড়িঘড়ি করে খায়রুজ্জামানকে জেল হত্যা মামলার আসামি করা হয়। বিচার সম্পন্ন হলে ২০০২ সালে খায়রুজ্জামানকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।
 রিটা রহমান বলেন, খায়রুজ্জামানের বাড়ি গোপালগঞ্জ এবং খায়রুজ্জামানের পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কলকাতার বেকার (ইধশবৎ) কলেজে লেখাপড়া করেছিল। এর ফলে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সঙ্গে একটি পারিবারিক সর্ম্পক ছিল তাদের। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সংকট সময়ে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন সহযোগিতাও করেছিল।  
তিনি বলেন, নির্বাচনে আমার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। মহাজোট থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তাকে রংপুরের মানুষ চায় না। আমার জয়ের যখন সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তখন একটি কুচক্রী মহল আমাকে জেল হত্যা মামলা আসামির স্ত্রী আখ্যায়িত করে জনগণের মাঝে অপ-প্রচার চালাচ্ছে। আমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। যা কখনোই কাম্য হতে পারে না। জনগণ সত্য জেনে সব অপ-প্রচারকে উপেক্ষা করে আগামী ৫ই অক্টোবর ধানের শীষের পক্ষে রায় দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সামসুজ্জামান সামু, বিএনপি নেতা আনিছুর রহমান লাকু, ঝন্টুসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এদিকে, রংপুর-৩ সদর আসনের উপ-নির্বাচনে জোরেশোরে মাইকিং ও প্রচারণায় নেমেছে প্রার্থীরা। গতকাল জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ ও খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান রাজু নগরীর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেছেন। সদরবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে দিচ্ছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর