× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার
বর্বরতা

শিবগঞ্জে যুবকের দুই কব্জি কেটে নিলো সন্ত্রাসীরা

শেষের পাতা

চাঁপাই নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:২২

শিবগঞ্জে রাতের আঁধারে এক যুবককে তুলে নিয়ে তার দুই হাতের কব্জি কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রুবেল হোসেন (২৮) নামের ওই যুবককে আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পদ্মা নদীর একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিবগঞ্জের উজিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়েজ ও তার ক্যাডাররা এমনটা করেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর স্বজনদের। ভুক্তভোগী রুবেল চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার রাণীহাটি বাজার এলাকার মৃত খোদাবক্সের ছেলে। রুবেলের চাচাতো ভাই ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল সালাম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, বুধবার রাতে রুবেল তার দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির দিকে আসছিল। এ সময় শিবগঞ্জের উজিরপুর বেড়িবাঁধের কাছে কয়েকজন তাদের পথ রোধ করে ও পাশেই অবস্থিত চেয়াম্যান ফয়েজের চেম্বারে গিয়ে দেখা করতে বলে। রুবেল তার বন্ধুদের নিয়ে চেম্বারে গেলে, তার দুই বন্ধুকে ঘরে আটকে রাখা হয়। আর রুবেলের মুখ ও চোখ গামছা দিয়ে পদ্মা নদীর বাঁধের নিচে নিয়ে যাওয় হয়।
সেখানে তাকে নির্যাতন করে দুই হাতের কব্জি কেটে নেয়া হয়। রাত আনুমানিক একটার দিকে খবর পেয়ে পরিবারের লোকেরা তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে চাঁপাই নবাবগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় অবস্থা গুরুতর হলে সেখান থেকে রুবেলকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ফয়েজ চেয়ারম্যান পূর্ব-শত্রুতার জের ধরে এমনটা করেছে উল্লেখ করে সালাম জানান, নিউ পদ্মা ফেরিঘাট নিয়ে বেশ আগে থেকেই চেয়ারম্যান ফয়েজের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। এমপি ও তার ভাইয়ের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ মিলেমিশে ঘাটটি চালিয়ে আসছিলো। এর মাঝে ফয়েজ ফেরিঘাটটি পুরোটা নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে রুবেলের সঙ্গে এমনটা করেছে। সালাম আরো জানান, রুবেলের চিকিৎসা শেষে শিবগঞ্জ থানায় এ বিষয়ে মামলা করা হবে। শিবগঞ্জ থানার ওসি জানান, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তবে গতকাল বেলা ১০টা পর্যন্ত কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। আমরা খোঁজ রাখছি। এ বিষয়ে কথা বলতে চেয়ারম্যান ফয়েজকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
FOYEZ AHMED
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৩৮

নির্মমতার চরম শিখরে পৌছে গেছে মানুষ রুপি কিছু হায়েনার দল। এদের ভিতরে মানুষের প্রতি কোনো দয়া নেই সামান্য স্বার্থের জন্য একটা মানুষের জীবনটাকে নষ্ট করে দিল। প্রশাসনের কিছু করার নেই তারা হাত পা ঘেরে বসে আছে যদি কেউ মামলা করে তাহলে তাদের দুটি পয়সা রোজগার করার একটা রাস্তা খুলবে সালা ভিখারির দল

Rased
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:০২

মামলা ছাড়া পুলিশ কিছু করতে পারে না? ভূক্তভোগী কে দেখে ও আসতেও পারে না?

Kazi
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:৩০

আর কত নিষ্ঠুরতা চাই। পশুর স্তরে পৌছে গেছে কিছূ মানুষ।

অন্যান্য খবর