× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

আবরার হত্যা ‘অনাকাঙ্খিত মৃত্যু’, জিডিতে দায় সারলো বুয়েট প্রশাসন

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১০:১১

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরারকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনাকে ‘অনাকঙ্খিত মৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসঙ্গে এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে দায় সেরেছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল জারিকৃত ওই ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’টি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ই তারিখ দিবাগত রাতে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদের অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনায় জিডি করা হয়েছে। জিডির ধারাবাহিকতায় পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। সংঘটিত অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক ঘটনার বিষয়ে আজ (সোমবার) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ, প্রভোস্টবৃন্দ, রেজিস্টার ও সিনিয়রদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদেরকে তদন্ত কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ই অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।
এরপর রাত ৩টার দিকে   শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দু’তলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।  সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Riad
৭ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১০:১৯

Shokoler fashi chai

জাফর আহমেদ
৭ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১০:০৭

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সরকারের দালাল দের। তাই আজকে শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে কসাই খানায়।

অন্যান্য খবর