× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

মামলা ডিবিতে, ১০ ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৯:১৮
গতকাল ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয় আবরার হত্যা মামলার আসামিদের-নিজস্ব ছবি

বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রলীগের দশ নেতাকর্মীকে ৫ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বিকালে চকবাজার থানার এসআই কবীর হোসেন তাদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড প্রাপ্তরা হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার,  ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না। রিমান্ড শুনানি শেষে তাদের সবাইকে রাজধানীর মিন্টো রোডের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। এদিকে মামলাটির উচ্চ তদন্তের জন্য চকবাজার থানা পুলিশ ঢাকা মহানগর  গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির লালবাগ জোনের এসি  মো: সিরাজুল ইসলাম।

গতকাল বিকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে একটি প্রিজন ভ্যানে চকবাজার থানা পুলিশ আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগের ১০ জন নেতাকর্মীকে ঢাকা মহানগর আদালতে হাজির করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে চকবাজার থানা পুলিশ ও ডিবির ২ টি গাড়ি তাদের বহনকারী প্রিজনভ্যানকে কর্ডন করে নিয়ে যায়।
আদালত প্রাঙ্গণেও ছিলো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। আদালতের এজলাসে উভয় পক্ষের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। এসময় চকবাজার থানার এসআই কবীর হোসেন ঢাকা মহানগর হাকিমের আদালতে গ্রেপ্তার হওয়া মামলার প্রত্যেক আসামির জন্য ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেন। রিমান্ড শুনানি শেষে এজলাস কক্ষে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হইচই শুরু হয়। পরে আদালতের হাকিমের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান আদালতকে বলেন, বাংলাদেশের মেধাবীদের অন্যতম বিদ্যাপীঠ বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে ওই ১০ আসামি। তারা ঠান্ডা মাথায় খুন করেছেন। এই ১০ আসামি যে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় জড়িত, তা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে। ওই মেধাবি ছাত্র হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশবাসী হতবাক। তিনি আরও বলেন, তারা ছাত্র নামের কলঙ্ক। আবরার ফাহাদকে হত্যা করার পর বীরদর্পে ঘুরেছে। ডাক্তারও ডাকেনি। তারা সবাই খুনি। একজন সহপাঠী আরেকজন সহপাঠীকে এমন নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করতে পারে? আবরার ফাহাদের কী দোষ ছিল? তারা খুনি। এই খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রত্যেক আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে প্রত্যেকের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, আবরার হত্যাকাণ্ডের মামলার এজাহারভুক্ত আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলো, শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মো. আকাশ হোসেন। গতকাল রাতভর ঢাকার ধানমন্ডি, ডেমরা ও গাজীপুরের বাইপাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণের একটি দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ডিবির এডিসি (দক্ষিণ) খন্দকার রবিউল আরাফাত। গ্রেপ্তার হওয়া রাফাত  মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র। মনির বুয়েটের ওয়াটার রির্সোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ও আকাশ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এদিকে, ঢাকা মহনগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) বিভাগের এক কর্মকর্তা গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানান, রিমান্ড প্রাপ্ত ১০ নেতাকর্মী চকবাজার থানা পুলিশের কাছে আবরারকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। ওই ঘটনায় আরও কয়েকজন বুয়েটের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী জড়িত। তাদের সনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১:৫৩

কোহিনুর খানম অতি বাস্তব ও সত্য কথাটি লিখেছে। সাংবাদিকরা তাদের সাক্ষাৎকার নিন। তাদের বংশ পরিচয় প্রকাশ করুন।

Kazi
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১:৪৯

প্রথমত আমাদের অনুরোধ এদেরকে আজীবনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার । ছাত্রলীগ তাদেরে বহিষ্কার করে ফেলেছে। বাকি ৯ জন কোথায় ? তাড়াতাড়ি তাদেরও গ্রেফতার করার অনুরোধ ।

Kazi
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১:৪৫

বাকি ৯ জন কোথায় ?

কোহিনুর খানম
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৯:৫০

এইসব খুনীদের বাবা-মা এবং ভালো করে পরিচয় প্রকাশ করা হোক।শুধু ভিক্টিমের পরিচয়ই প্রকাশ করা হয়,এদের পরিচয় এবং এদের বাবা-মায়ের সাক্ষাতকার নেওয়া হোক খুনি পুত্র জন্ম দিয়ে তারা কতটুকু গর্বিত আমরা দেখতে চাই।এদের জন্মের দোষ। খুনি হতে দুষিত ব্লাডের প্রয়োজন।বললেই খুন করা যায়না।রুক্তে থাকতে হয়।এদের বাবা-মাকে দেখতে চাই।প্লিজ

মোঃ মনির হোসেন
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:৫২

সাংবাদিক ভাইয়েরা এই মামলা যদি আমিরিকার এফবিআই এর কাছেও দেওয়া হয় তারপরেও সঠিকবিচারেরআশা করা যায়না বেশিকিছুবলবনা সুদু সাগর রুনির বিচারটাই দেখেন এর পরে একের পর এক হত্যা গোম বলদকার মিথ্যা মামলা আর কি দেখারবাকি আছে

Ei Ami
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১:১৪

Why Amit Saha out of the case? I am sure he must be son of some well known corrupted political leader or corrupted Amla.

অন্যান্য খবর