× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

সিলেটে শিশু নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১০ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:২৩

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় চাঞ্চল্যকর শিশু নাঈম হত্যা মামলার রায়ে ৪ আসামির ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুহিতুল হক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পুরান তেতলী গ্রামের মৃত মো. আফতাব আলীর ছেলে মো. ইসমাইল আলী, একই এলাকার মো. ইছহাক মিয়া ওরফে ইছহাক আলীর ছেলে মো. মিঠুন মিয়া, দক্ষিণ সুরমা থানার দক্ষিণ ভার্থখলা ডি-ব্লকের ডিপটি ওরফে রুবেলের ছেলে বিপ্লব ওরফে বিপলু ও লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার নাদবুদ গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে জুনেদ হোসেন। মামলার রায়ে আসামি রুবেল আহমদকে বেকসুর খালাদ প্রদান করা হয়েছে। এদিকে- মামলার রায় ঘোষণার পর আসামিদের সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। নিহত শিশু নাঈম আহমদ দক্ষিণ সুরমার পুরান তেতলি এলাকার বাসিন্দা আবদুল হকের ছেলে। সে স্থানীয় লিটল স্টার কিন্ডারগার্টেনের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে- ২০১১ সালের ১৪ই আগস্ট রাতে বাড়ি থেকে অপহরণ করে আসামিরা।
এরপর মুক্তিপণের দাবি করে। টাকা না পেয়ে পরবর্তীতে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন মরদেহ বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। ২০১১ সালের ২০শে আগস্ট নাঈমের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২৬শে নভেম্বর দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই মো. হারুন মজুমদার পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম এহিয়া জানান, মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি জানাই।


 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর