× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার
সিলেটে সংবাদ সম্মেলন

নির্বাচনে পরাজিতরা অপপ্রচার চালাচ্ছে

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১০ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:২৩

গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত শক্তিরা অপপ্রচারসহ নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সিকান্দর আলী। গতকাল বুধবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি জানান, ‘পরাজিত অপশক্তিরা জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে এখন আমার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি তারা আমার মৃত পিতার নামে কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।’ সংবাদ সম্মেলনে ৪ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মো. সিকান্দর আলী জানান, সিলেট নগরীর শেখঘাট একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকা। কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকে বৃহত্তর শেখঘাটের সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় রয়েছে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল বার বার এই সামাজিকতায় আঘাত করার চেষ্টা করছে। গত সিটি নির্বাচনে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়।
এরপর থেকে তারা নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সিলেট সদর মৎস্য আড়তদার কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক, পঞ্চায়েতি কমিটি মুরব্বি ও শেখঘাট জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির জয়েন সেক্রেটারি হাজী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়েছে। কাউন্সিলর জানান, তার ভাইরা ক্যাসিনো কিংবা জুয়ার সঙ্গে জড়িত নয়। শেখঘাট কিংবা কাজিরবাজার এলাকায় কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছে না। এসবের বিরুদ্ধে বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকার মানুষ সক্রিয় রয়েছেন। অপপ্রচারের কারণ তুলে ধরে সিকান্দর আলী জানান, শেখঘাটের রুবেল আহমদ নামের এক ব্যক্তি সব সময় এই অপপ্রচার রটাচ্ছে। রুবেল আগে কয়েকবার কারাগারে গেছে। সর্বশেষ চুরি ও হামলার ঘটনায় ৬-৭ মাস আগে মামলায় কারাগারে ছিল। এখন এক মহিলাকে নিয়ে সম্প্রতি এলাকায় সুদের কারবার শুরু করেছে। আর জামায়াত নেতা মহিবুর রহমান মিয়ার ছেলে বর্তমান যুবলীগ নেতা শামীম আহমদ যুবলীগের নাম ব্যবহার করে দোকান দখলসহ নানা ঘটনা ঘটাচ্ছে। শেখঘাটের পিছের মুখ এলাকার বেঙ্গল অটোমেটিক রাইস মিলের মালিক হাফিজ মিয়ার একটি দোকানঘর সে দখল করে আছে। এ নিয়ে কয়েকবার সালিশ হয়েছে। কিন্তু শামীম সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে দোকানঘর ছেড়ে যায়নি। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ প্রতিবাদী হওয়ার কারণে তারা অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিলেট সদর মৎস্য আড়তদার কল্যাণ সমবায় সমিতির সভাপতি হাজী ফয়জুল হক, কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল হক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ হাজী মখলিস মিয়া, লালবাজারের ব্যবসায়ী ফজলু মিয়া ও আছকির আলী।



 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর