× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার

‘মাদক সংশ্লিষ্টতায়’ আটক ছাত্রলীগ কর্মীদের ছাড়িয়ে নিলেন জাবি’র প্রক্টর

বাংলারজমিন

জাবি প্রতিনিধি | ১১ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ৭:৩৭

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রলীগ কর্মীসহ তিনজনকে আটক করেছে সাভার ও আশুলিয়া থানা পুলিশ। এই দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাত্রলীগের চাপে সমঝোতা করে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, বুধবার রাত ১২টার দিকে মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্র মাহমুদুল হাসান অনিক ও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগান এলাকার অনিক নামের আরেকজনের সঙ্গে মাদকের টাকা পয়সা ভাগাভাগি নিয়ে সমস্যা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মীর মশাররফ হোসেন হলের অনিক তার দুই বন্ধুকে হল সংলগ্ন হাইওয়ে রোডে ডেকে নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশ আসলে মাহমুদুল হাসান অনিক পালিয়ে যায়। পরে আম বাগানের অনিক ও মাহমুদুল হাসান অনিকের দুই বন্ধুকে পুলিশ আটক করে। আটকের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল হাসান। মাহমুদুল হাসান অনিকের আটককৃত দুই বন্ধু হলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী আজিমুসশান নওরোজ প্রণয় ও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী বিপ্লব হোসাইন।
তারা দুইজন শাখা ছাত্রলীগের মীর মশাররফ হোসেন হল ইউনিটের কর্মী ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানার অনুসারী। অন্যদিকে পালিয়ে যাওয়া মাহমুদুল হাসান অনিকের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ. স. ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বুধবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ধারণা করছি মাদকের টাকা ভাগাভাগির বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে সমস্যা হয়। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে।’ এদিকে একটি সূত্র বলছে, দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য প্রক্টরকে চাপ দেন শাখা ছাত্রলীগের মীর মশাররফ হোসেন হলের নেতাকর্মীরা। এক সময় তারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের হুমকি দেয়। পরে প্রক্টর সমঝোতা করে তাদের ছাড়িয়ে আনেন।

আটককৃতদের ছাড়িয়ে নেয়ার অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উপস্থিত সময়ে তাদের কাছে মাদকের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে দুই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছে ওই বহিরাগতকে পুলিশ হস্তান্তর করে।’ এদিকে আটকের পর ছেড়ে দেয়া দুই ছাত্রলীগ কর্মী ও ‘বহিরাগত’ অনিকের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, ‘আমি বিষয়টি প্রক্টরের মাধ্যমে জেনেছি। এটা ওদের ব্যক্তিগত বিষয় ও ক্যাম্পাসের বাইরের ঘটনা। আমি এব্যাপারে বিশেষ কিছু জানি না। তবে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এদিকে প্রক্টরিয়াল অফিস সূত্র ঘটনার সময় সাভার থানা পুলিশ, আশুলিয়া থানা পুলিশ ও সাভার হাইওয়ে পুলিশ থাকার কথা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ এব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর