× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার

‘আবরারের রক্তে সরকার পতনের বীজ বপন হল’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ৭:৩০

নব্বই সালে শহীদ জেহাদের রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচারী এরশাদের পতন হয়েছে। ২০১৯ সালে আবরার ফাহাদের রক্তেই এই সরকারের পতনের বীজ বপন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশররফ হোসেন। শনিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি একথা বলেন। ভারতের সঙ্গে করা সাম্প্রতিক চুক্তি বাতিল ও বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের খুনীদের বিচার দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপি। জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সমাবেশে যোগ দিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন দলের নেতাকর্মীরা। এর আগে সকাল ৯টা থেকে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। বেলা দেড়টার দিকে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের দু’দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। সকাল থেকে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আসার সময় অনেকেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন।
সড়কের দুই পাশেই পুলিশ চেকপোস্ট বসায়। সমাবেশে আসার সময় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রায় ৫০জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আবরার একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিল। এর জন্য তাকে প্রাণ দিতে হলো। এটা দেশের মানুষের প্রতিবাদ। আবরারের কথাটাই দেশের মানুষের কথা। আবরারকে হত্যা করে দেশের জনগণের কণ্ঠকে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্র সমাজ এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তার রক্ত জনগণ বৃথা যেতে দেবে না। শহীদ জেহাদের রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচার পতনের বীজ বপন হয়েছিল। তেমনি আবরারের রক্তের বিনিময়ে এই স্বৈরাচার সরকারের পতনের বীজ বপন হল। তিনি বলেন, ফেনী নদীর পানি উত্তোলনে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন, সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে সম্মতি দিয়েছেন, উপকূলে যৌথ নজরদারির নামে ভারতকে ২০টি রাডার প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দিয়েছেন। আমরা যে এলপিজি আমদানি করি তা ভারতে রপ্তানি করার অনুমতি দিয়েছেন। এসব চুক্তির প্রতিটি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। ফেনী নদীর পানি উত্তোলনের অনুমতি দিলেন কিন্তু তা কতখানি তারা উত্তোলন করবে তা পরিমাপ করার বিষয় এ চুক্তিতে কিছু নেই। এছাড়া ৩৬টি নদীর পানি ভারত জোর করে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে জনসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদলের সিনিয়ার সহ-সভাপতি মুরতাজুল করিম বাদরু, মহানগর যুবদল নেতা ওমর ফারুক মুন্না, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমূখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শেলী
১২ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ৮:৩৮

আপনাদের নেতৃত্বে কিছুই হবে না! এক বেগম জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে কোন ব্যাবস্থা করতে পারলেন না? নেতৃত্বের পরিবর্তন দরকার!

Nurul alam
১২ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ৮:০৯

আপনারা সাণান্য চাপ সইতে না পেরে সংসদে গিয়ে তাদের বৈধতা দিলেন আর বলছেন সরকার পতনের কথা ! আপনাদের তৃণমূল কে কোন অবন্থায় আছেন সে খবর রাখেন? দেশ বিরোধী চুক্তি হয়ে গেল যার জন্য প্রিয় আবরার প্রাণ দিল আর আপনারা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হয়ে একটা মিছিলও করতে পারলেন না। কেন? দাদারা কী কোন আশা ভরসা দিয়েছেন? দেশ আগে। এখনতো দেশের নববই ভাগ লোক ঐ চুক্তি এবং ভারত তোষণ নীতির বিরুদ্ধে। এই সেণ্টিমেণ্টটাও কাজে লাগাতে আপনারা ব্যর্থ ।

অন্যান্য খবর