× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার

কাজ না করেই ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ

অনলাইন

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি | ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১২:৪১

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিভিন্ন প্রকল্পের ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। তিনি ভূয়া দরপত্র দেখিয়ে কাজ না করেই ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে রাব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি আকবর আলী বরাদ্ধকৃত টাকা উদ্ধারের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও ত্রাণ মন্ত্রালয় এবং দুদকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহানকে আত্মসাতকৃত টাকার বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সুত্র জানায়, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনায় ও ত্রাণ মন্ত্রালয়ের আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রামগঞ্জ রাব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসা আশ্রয় কেন্দ্র সংস্কারে ৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা এং সাউদেরখিল উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র সংস্কারে ৯ লাখ ৮০ হাজার ২২৪ টাকা বরাদ্ধ দেয়। কিন্তু রামগঞ্জ উপজেলার (ভারপ্রাপ্ত) প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোশাররফ হোসেন সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে লক্ষ্মীপুর সুমাইয়া এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে চলতি বছরের জুন ক্লোজিং-এর মধ্যে কাজ সম্পন্ন  দেখিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের নামে ভূয়া দরপত্র ও বিল তৈরি করে বরাদ্ধের পুরো টাকা ট্রেজারী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাত করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এএসএম মোস্তাক আহমেদ বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে পিআইও অফিসে যোগাযোগ করলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে সংস্কার কাজ করতে আমাদেরকে  ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। বাকি টাকা পিআইও আস্তে আস্তে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, দুর্যোগ মন্ত্রনালয়, দুদকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ দায়ের করার সংবাদ জানতে পেরে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মাধ্যমে কাজ শেষ করতে নগদ টাকা প্রদান করেছি।
কাজ শেষ করলে বাকি টাকা পরিশোধ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহান জানান, জুন ক্লোজিংয়ের কারণে সময় কম থাকায় দু’টি আশ্রয়ন প্রকল্পের সংস্কারের টাকা ফেরত যাওয়ার কারণে টাকা উত্তোলন করে রাখা হয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে কাজ শেষ করে টাকা প্রদান করা হবে। সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার কোন সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
SM. Rafiqul Islam
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১:৩২

A to Z All are Ali-Baba.

Md. Harun Al-Rashid
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১:২৮

বাহ! কি দারুন যুক্তি।চুরির বিষয়টি জনসম্মূখে আশার আগ পর্যন্ত কাউকে এ মর্মে কিছুই জানান হলো না কেন? অপরাধ যত বড় হয় চোর তার স্বপক্ষে যুক্তি তত বড় করে। যোগসাজোশের জন্য ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া হোক।

অন্যান্য খবর