× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার

‘শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১:১৭

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহেই পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মনিরুল ইসলাম। আজ সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আবরার হত্যা মামলায় আমাদের কাছে এজাহারভুুক্ত ১৫ জন ও এজাহারের বাইরে ৪ জনসহ মোট ১৯ জন গ্রেপ্তার আছে। এর মধ্যে চারজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যারা জবানবন্দি দিয়েছে, তারা জানিয়েছে শিবির সন্দেহেই তাকে মারধর করা হয়। তবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য মারা হয়েছে কি না তা এখনি বলা যাচ্ছে না। বাকি আসামিদের জবানবন্দি, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে সেটি নিশ্চিত হতে হবে। তবে ওই চারজনের জবানবন্দি থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে আবরারকে শিবির সন্দেহে মারা হয়েছে।

মনিরুল বলেন, বাকি আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আশা করছি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কাজ শেষ হবে। তারপর চার্জশিট দেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mohd.Makbul Hossain
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:৫৮

ধর্ম নিরপেক্ষ নীতি দাবিদার আওয়ামী লীগ দল সবচেয়ে বেশি ফায়দা লুটে নিয়েছে সাম্প্রদায়িক শক্তির উপর রাজনীতি করে। বাংলাদেশের মুসলমানদের দাবি ও কার্যকলাপকে সাম্প্রদায়িক এবং মাইনোরিটি হিন্দুদের বন্ধু বানিয়ে ভারত তোষণ নীতি গ্রহণ করে জাতীয় স্বার্থে বিরোধী রাজনীতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তাদের এই সাম্প্রদায়িক নীতির শিকার হয়েই আবরার ফাহাদকে তার জীবন দিতে হয়েছে।

Md.Mohiuddin Monsi
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:৫১

নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বলতে চাই, যারা শিবির সংগঠনের সাথে জড়িত তারা তো আমাদেরই কারো না কারো সন্তান। আর শিবির নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনও নয়। তাহলে শিবির সন্দেহ হলেই মেরে ফেলতে হবে বা নির্যাতন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দিতে হবে এই অপসংস্কৃতির জন্ম দিলো কে? যারা এই ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ডকে সাপোর্ট করবে তাদের পরিণতি তেমন ভালো হবেনা। যেমনটি আবরার ফাহাদের বেলায় ঘটেছে। আল্লাহ তা'য়ালা এর চাইতেও ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়ে আমাদেরকে কলঙ্কিত করার পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন। সুতরাং আমরা মানুষের মতো আচরণ করতে শিখি। নতুবা আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের উপর অসন্তুষ্ট হবেন।

Abdul kadirr
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৯:৩৩

শিবিরের সদস্য হলে যদি তাকে এ ভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা যায়? শিবির সন্দেহ হলেই পিটিয়ে হত্যার অধিকার বা নির্দেশ ছাত্রলীগকে কে দিয়েছে, সাধারণ মানুষ কাকে অপরাধী ভাবতে পারে???

Mohammed Moniruzzama
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:১২

এই লোকটার ব্যপারে সঠিক তদন্ত হওয়া অনেক জরুরী । আমার মনে হয় সে সৎ লোক না তাঁর আচরন সন্দেহজনক । মাননীয় প্রধান ওর দিকে দৃষ্টির প্রয়োজন বোধ করছি ।

Mizanur
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:০৯

জামাত শিবির সম্পর্কে সরকার ও প্রশাশনের আসল উদ্দেশ্যটা কি, তা জাতির সামনে খোলামেলা পরিষ্কার করা দরকার। জামাত শিবির সন্দেহে নির্যাতন এভাবে আর কতদিন চলবে?

Mohd.Makbul Hossain
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:০৮

অমিত সাহার মতো একটা হিন্দু ছাত্র কিভাবে আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে মারার নির্দেশ দেয়? তার কাছে কোন গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল ?

Md. Harun al Rashid
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৭:২৬

Should the statement not be the incentive to repetition of more incidents against the freedom of speech? May Allah save innocents!

জাকারিয়া সাইমুম
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৫:৫৯

শিবির হলেই তাকে মেরে ফেলতে হবে, এই অধিকার ছাত্রলীগকে কে দিয়েছে। এইসব কথা বলে মামলাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না।

Md Ahmed
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৫:০১

শিবির হলেই কি পিঠে মারতে হবে,,এ লাইসেন্স ক দিয়েছে,,

রিয়াদ
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৩:১০

মত প্রকাশ করলেই কি সে শিবিরহয়ে যায় ! সন্ত্রাস এর বিরোদ্ধে কথা বল্লেই কি সে শিবির হয়ে যায়!ভারত বিরোধি কথা বল্লেই সে শিবির হয়ে যায় ।।।দেশ কে ক্ষতির হাত হতে রক্ষা করার কথা বা কাজ করলে সত্তিকারের দেশ প্রেমিক হওয়ায় কি শিবির হয়ে যায়। বা তার কি এটাই লক্ষ ।।।। তাহলে শিবিরই ভাল।।

Md. Harun Al-Rashid
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৩:৪১

যে আঘাতে জাতির অন্তর বিদীর্ন হয়েছে ন্যায় বিচার না হলে সে আঘাতের অভিঘাত এক দিন না একদিন তাদের উপর পড়বে।

মোঃ কামরুল হাসান
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ২:০৮

আবরারকে হত্যাকারীরা শিবির সন্দেহে পিটিয়েছে!!! হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়েছে কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। কেউ শিবির করলে, তাকে পিটানো যাবে এমন আইন এখন পর্যন্ত প্রনয়ন হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কে শিবির করলো না ভিন্ন মত পোষণ করলো তাতে ছাত্রলীগের এই অতি উৎসাহীদের সমস্যা কি?? ওরা কারো গায়ে হাত উঠানোর সাহস কোথায় থেকে পায়? এখানে শিবির বা ভিন্ন মতাবলম্বী গুরুত্বপূর্ণ নয় ওদের কাছে, ক্ষমতাসীন দলের কিছু অতি উৎসাহী নেতা কর্মীদের মধ্যে শোডাউন ও আগ্রাসী মনোভাব এর জন্য দায়ী!!

ফারুকী
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১:৫৫

শিবিরের বাহানা দিয়ে খুনের ঘটনা অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করবেন না । প্রত্যেকটি মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে আবরারের মোবাইলে কি লিখাছিল। শিবিরের বেয়াপারে কোনো কিছুই লিখা ছিল না । আর কত চাটুকারী করবেন ? ঈমানের দিকে একবার তাকান-----?

M.R.R.KHAN
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১:৩০

আবরার যদি শিবিরের সদস্য হতো তাহলেও কি তাকে এ ভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা যেত ?

Md. Arifur Rahman
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ২:২৬

শিবিরের কথা বলে মামলা অন্য দিকে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Mahmud
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ২:০৯

শিবির বা স্ট্যাটাস কিছুই না, শুধু মাত্র ইন্ডিয়ার বিপক্ষে কথা বলাই অপরাধ ছিল আবরারের।

Nurul alam
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১২:৩৫

নামাজ পড়লেই তাকে শিবির বলে পেটাতে হবে? নামাজ পড়াতো একজন মুসলমানের ফরয কাজ। ছাত্রলীগের কাছে সেটাও অন্যায়? এটাতো ঐ দেশের ভয়ংকর মৌলবাদীদের কথা। তাহলে ছাত্রলীগ ঐ পথে অনুপ্রাণিত?

Kazi
১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ১২:৩৪

শিবির সন্দেহ হলেই পিটিয়ে হত্যার অধিকার ছাত্রলীগকে কে দিয়েছে বা কারা নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন ! ভিন্নমত পোষণ করলেই শিবির সন্দেহ করার কারণ কি ? শিবিরের সদস্যরা খুব চতুর। তারা দেশের ভালমন্দ কিছুতেই মতামত প্রকাশ করে না। শুদু তামাসা দেখছে।

অন্যান্য খবর