× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার

‘দর্শকই ভালো-মন্দের বিচারক’

বিনোদন

এন আই বুলবুল | ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:৪২

আমি পরিচালক নির্ভর একজন অভিনেত্রী। পরিচালকের ইচ্ছের বাইরে কিছু করি না। যে কোনো চরিত্রে অভিনয় করার আগে চেষ্টা করি পরিচালক আমার কাছে কি চান সেটি ভালোভাবে বোঝার। সেই অনুযায়ী চরিত্রটিকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করি। নাটক-চলচ্চিত্রে নিজের চরিত্র যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে কি করেন সে সম্পর্কে এভাবেই বললেন দুই পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। গেল মাসের শেষ সপ্তাহে এ অভিনেত্রীর ‘সাপলুডু’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এতে তিনি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেন। তবুও তার স্বল্প সময়ের উপস্থিতি দর্শকের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে।
এ নিয়ে রুনা খান নিজেও দারুণ উচ্ছ্বসিত। তার ভাষ্য, আমি ছবিটিতে কাজ করার আগে সময় নিয়ে ভাবিনি। কারণ এ ছবির নির্মাতা দোদুলের সঙ্গে আমার আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল। সেখান থেকে বিশ্বাস ছিল তিনি যাই করবেন নিশ্চয়ই ভালো কিছু হবে। তবে দর্শকের কাছ থেকে এত বেশি প্রশংসা পাবো ভাবিনি। এর আগে এ অভিনেত্রীর ‘কালো মেঘের ভেলা’, ‘ছিটকিনি’, ‘হালদা’, ‘গহিন বালুচর’ সিনেমাগুলো দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলে। নতুন চলচ্চিত্রের খবর কি? রুনা বলেন, এখন টিভি নাটকে ব্যস্ত সময় পার করছি। হাতে নতুন কোনো চলচ্চিত্র নেই। ভালো কোনো গল্প ও চরিত্রে পেলে দর্শক আবারো আমাকে নতুন চলচ্চিত্রে দেখতে পাবে। তার জন্য দর্শকদের অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে। ছোট পর্দায় এ অভিনেত্রী ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘শিউলিমালা’ ও ‘বিষয়টি পারিবারিক’সহ বেশ কিছু ধারাবাহিক এবং বিভিন্ন খণ্ড নাটক নিয়ে ব্যস্ত আছেন বলে জানান। প্রতিদিন ধারাবাহিক ও খণ্ড নাটকের শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে হয় এ অভিনেত্রীকে। সেক্ষেত্রে বিচার বিশ্লেষণ করে কাজ করার সুযোগ কতটুকু পান? এই প্রশ্নের উত্তরে রুনা বলেন, সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না। তবে সব কাজকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এ ছাড়া  অভিনয় আমার পেশা ও নেশা। আমি নির্মাতার মনের মতো করেই অভিনয় করে যাই। তাই কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ, তা আগে নির্ধারণ করাও কঠিন। আমি মনে করি দর্শকই ভালো-মন্দের বিচারক। তাদের প্রতিক্রিয়া বলে দেয় কোন কাজটি ভালো হয়েছে। কোনটি খারাপ হয়েছে। নাটক এখন আর টেলিভিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইউটিউবসহ বিভিন্ন অ্যাপসের জন্য নিয়মিত নাটক নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু এসব নাটক মানের দিক থেকে দুর্বল বলেও অনেকে বলেন। এ প্রসঙ্গে রুনা খানের কাছে অভিমত জানতে চাইলে তিনি বলেন, টিভির বাইরে নাটক নির্মাণ হওয়ার কারণে শিল্পী-নির্মাতাদের কাজ বেড়েছে। তবে ইউটিউবে এখন মাঝে মাঝে এমন কিছু নাটক দেখা যায় যেগুলোর মান অনেক খারাপ। এ কাজগুলোর কারণে অনেক সময় দর্শকের চোখে ভালো নাটক পড়ে না। পাশাপাশি আমাদের নাটক নিয়ে দর্শকের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। নাট্যঙ্গনে শিল্পী কলাকুশলীদের নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ শোনা যায়। কখনো নির্মাতার অভিযোগ শিল্পীদের দিকে। আবার কখনো শিল্পীদের আঙ্গুল নির্মাতার প্রতি। এ নিয়ে রুনার মন্তব্য কি? তিনি বলেন, আমাদের এখানে পেশাদারিত্বের কিছুটা অভাব আছে। আমরা সবাই যদি নিজের পেশার প্রতি দায়িত্বশীল হই তাহলে এমন হওয়ার কথা না। শিল্পী ও নির্মাতা কেউ কাউকে ছাড়া কাজ করতে পারবে না। সেখানে নিজেদের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করা কখনো ঠিক নয়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা আমাদের নিজের জায়গাটা ঠিক রাখবো। আজকের আলাপনে এ অভিনেত্রী আরো বলেন, সব কিছু এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। বিশ্ব এখন সবার হাতের মুঠোয় বন্দি। সময়ের সঙ্গে আমাদেরও ভালো কিছু নিয়ে দর্শকের কাছে আসতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর