× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১১ মে ২০২৪, শনিবার , ২৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৩ জিলক্বদ ১৪৪৫ হিঃ

‘ভালো কিছু শিল্পী পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

বিনোদন

ফয়সাল রাব্বিকীন
১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার

জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা পার্থ বড়ুয়া। নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ব্যান্ড সোলসের মাধ্যমে অনেক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। ব্যান্ডের বাইরে একক ক্যারিয়ারেও সফল তিনি। তার সুর ও সংগীতে অনেক শিল্পীর গান শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এদিকে সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও দক্ষতার ছাপ রেখেছেন পার্থ বড়ুয়া। বেশ অল্প সময়ে ছোট পর্দায় নিজেকে সুঅভিনেতা হিসেবেও প্রমাণ করেছেন। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও দেখা গেছে তাকে। তবে এখন অভিনয় তেমন একটা করছেন না।
গানেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে কেমন আছেন? দিনকাল কেমন কাটছে? পার্থ বড়ুয়া উত্তরে বলেন, ভালো আছি। সময়টাও ভালো কাটছে। গান নিয়েই ব্যস্ততা যাচ্ছে।  নতুন গানের কি খবর? সোলসের গান কি আসছে? পার্থ বলেন, আমি বেশ কিছু কাজ করছি। তাছাড়া সোলসের গানের কাজও চলছে। তবে গান নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আমরা সময় নিয়ে ভালো কাজ শ্রোতাদের উপহার দিতে চাই। সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নতুন গানের কাজ চলছে। সেগুলো শ্রোতারা সামনে শুনতে পারবেন। আপনি তো বেশ কয়েকটি সংগীত প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন। সিলন সুপার সিঙ্গার সংগীত রিয়্যালিটি শোর বিচারক হিসেবে কাজ করছেন এখন। এটি গৃহিণীদের নিয়ে আয়োজন হচ্ছে। পার্থক্যটা কেমন
দেখছেন? পার্থ বড়ুয়া বলেন, পার্থক্য তো রয়েছেই। কারণ গৃহিণীরা ঘরের সব কাজ শেষ করে সংগীতে সময় তেমন একটা দিতে পারে না। কিন্তু অনেকেই আছেন শত কাজ ও বাধা উপেক্ষা করেই নিয়মিত গান চর্চা করে যাচ্ছেন। তাদের নিয়েই এই রিয়্যালিটি শো। অনেক ভালো ভালো প্রতিযোগী এসেছেন এই প্রতিযোগিতায়। আজ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। আমি মনে করি এখান থেকে ভালো কিছু শিল্পী পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আপনিতো সিলন মিউজিক লাউঞ্জের কাজও করছেন নিয়মিত। সেখানে নতুন সংগীতায়োজনে পুরনো জনপ্রিয় গান চলতি প্রজন্মের শিল্পীরা গাইছেন। গানগুলো এরইমধ্যে ইউটিউবে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সে সম্পর্কে বলুন। পার্থ বড়ুয়া বলেন, এটি একটি ভিন্নধর্মী পরিকল্পনা। আমি চেষ্টা করেছি গানগুলো তরুণ শিল্পীদের কণ্ঠে সুন্দর ও যত্ন নিয়ে তুলতে। সিলন টি এর ইউটিউব চ্যানেলে এগুলো প্রকাশ হয়েছে নিয়মিত। অনেক শিল্পীই গান গেয়েছেন এই প্রজেক্টের আওতায়।
আমি এর প্রশংসাও শুনেছি। একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চেয়েছি আগের গানগুলোকে। কথা, সুর ঠিক রেখে সংগীতায়োজন, অ্যারেঞ্জমেন্ট ও গায়কীতে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করেছি। চলতি সময়ের গানের অবস্থা কেমন মনে হচ্ছে আপনার কাছে? পার্থ বড়ুয়া উত্তরে বলেন, এখন গানের অবস্থা মোটামুটি।  খুব বেশি ভালো না। আবার খারাপও না। এই প্রজন্মের অনেকেই ভালো কাজও করছে। তবে তাদের মধ্যে ধারাবাহিকতা কম।

দেখা গেল, গানে খুব ভালো শুরু করলো। কিন্তু বেশিদিন টিকে থাকতে পারছে না। সঠিকভাবে নিজেদের পরিচালিত করতে পারছে না।  সে কারণে মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেকে হারিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া এখন তো ইউটিউব সবার জন্য উন্মুক্ত। ভালো-খারাপ মিলিয়েই গান হচ্ছে। তার মধ্যে থেকে যারা ভালো করছে তারা বের হয়ে আসছে। ভালো কাজ যারা করবে তারাই দীর্ঘদিন টিকে থাকবে। এখন ডিজিটালি গান প্রকাশ হচ্ছে। মানুষ এখন সারা বিশ্বের গান খুব সহজে শুনতে পারছে। সেদিক থেকে প্রতিযোগিতাটাও বেশি। আন্তর্জাতিক মানের কাজ না করতে পারলে টিকে থাকা মুশকিল হবে। কারণ গানে এখন সারা বিশ্বকে টক্কর দিতে হচ্ছে। তাই অবশ্যই কোয়ালিটি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর