× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার

১৬ লাখ টাকার সিসি ক্যামেরা দুই বছরেই অচল

অনলাইন

আমিনুল ইসলাম লিটন, ঝিনাইদহ থেকে | ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ২:৪৮

ঝিনাইদহ শহরের গুরুত্বপুর্ন ১০টি স্পটে লাগানো সিসি ক্যামেরাগুলো দুই বছরে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে শহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের চলাচল অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। শহর ঘুরে দেখো গেছে, কোনো কোনো স্থান থেকে গায়েব হয়ে গেছে ক্যামেরা। রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে মরিচা আর ময়লা জমে আছে ক্যামেরা ও তারে।  

জানা গেছে, ২০১৭ সালে পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। শহরের ১০টি স্পটে বসানো হয় ১২৮টি সিসি ক্যামেরা। এতে ঠিকাদারের ব্যয় হয় ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু তাকে ঝিনাইদহ দোকান মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া হয় ৯ লাখ টাকা।
বাকি টাকা ঠিকাদার পাননি। ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম জানান, তিনি এখনো ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাবেন। অনেকবার ঘুরে ঘুরে এখন আর টাকা চান না।

ঠিকাদারের দেয়া তথ্যমতে, ঝিনাইদহ শহরের পায়রাচত্বর, পোস্ট অফিস মোড়, স্বর্নকার পট্রি, শিল্পকলা এলাকা নিয়ে একটি স্পট তৈরী করা হয়। এখানে ৩২টি ক্যামেরা স্থপান করা হয়েছিল। ক্যামেরাগুলো কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের। সদর থানার গেট থেকে উজির আলী স্কুল পর্যন্ত স্থপন করা হয় ১৬টি ক্যামেরা। এগুলো কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল ঝিনাইদহ সদর সার্কেল (পুলিশ) অফিসের। কলাবাগান পাড়া থেকে মডার্ন মোড় পর্যন্ত বসানো হয় ১৬টি ক্যামেরা। কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদকের বাসা থেকে। ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় বসানো হয় ৮টি সিসি ক্যামেরা। কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল বাস মালিক সমিতি। আরাপপুর এলাকার ১২টি সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল রাহেলা প্রসাধনীর মুক্তার আহম্মেদের। ক্যাসেল ব্রীজ এলাকার ৬টি ক্যামেরার কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টুর বাসা থেকে। ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে হাটখোলা রোডের ১৬টি ক্যামেরা কন্ট্রোলের দায়িত্ব ছিল রংধনু প্লাজার আব্দুল আওয়ালের। এ ভাবে ১০টি স্পটে ১২৮টি ক্যামেরা বসানো হয়।

অভিযোগ উঠেছে ক্যামেরাগুলো পুরানো মডেলের হওয়ায় বেশি স্থায়ী হয়নি। তবে ক্যামরা বসানোর পর শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছিল। শহরের কয়েকটি দোকানে চুরির ঘটনা উদঘাটনও হয়েছিল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে। তারপর ক্যামেরা গুলো অচল হয়ে পড়তে থাকে। তবে বেশির ভাগ ক্যামেরা লাইট পোস্ট থেকে চুরি হয়ে গেছে। ঝিনাইদহ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম মন্টু বলেন, আমার ধারণা টাকা না পেয়ে ঠিকাদার জাহিদুল নিজেই ক্যামেরাগুলো খুলে নিয়ে গেছে। তিনি ব্যাবসায়ী ও শহরবাসীর স্বার্থে সিসি ক্যামেরা প্রকল্পটি ভেস্তে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। ঠিকাদার তামিম কম্পিউটারের সত্বাধীকারি জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমে কেন ক্যামেরা খুলে নেব। লাগিয়ে দেওয়ার পর সেগুলো তো রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব পুলিশ ও মালিক সমিতির ছিল। ঝিনাইদহ পৌর সভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু জানান, শহরের পায়রা চত্তরের ৪টি ক্যামেরা চালু আছে। বাকি ক্যামেরা গুলো অচল হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বর্ষার পর নতুন করে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান জানান, আগে বসানো ক্যামেরা গুলো ছিল ব্যাক ডেটেড। শহর জুড়ে নতুন মডেলের ক্যামরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ahammad
১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ৩:০৩

আরে ভাই এক সপ্তার মধে্ধ নষ্ট হয় নাই সেটাই আপনাদের সুভাগ্য। ষোল লাখ কেন ষোল কোটি টাকা খরচ হয় নাই তো বেচে গেছেন ।

অন্যান্য খবর