× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার

মাহমুদুল্লাহর দিনে ‘নায়ক’ ইমতিয়াজ

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:৪০

ভারত সফরের আগে জাতীয় ক্রিকেট লীগে (এনসিএল) ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। গতকাল দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ দিনের খেলায় সেঞ্চুরি তুলে নেন ঢাকা মেট্রোর এই ব্যাটসম্যান। এনসিএলে ৪ বছর পর সেঞ্চুরি পেলেন মাহমুদুল্লাহ। সবশেষ ২০১৫ সালে এই ঢাকা মেট্রোর হয়েই ১৩২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে দিন শেষে মাহমুদুল্লাহকে ছাপিয়ে যান ইমতিয়াজ হোসেন। তার অপরাজিত শতকে টিয়ার-২ এর ম্যাচে ঢাকা মেট্রোকে ৮ উইকেটে হারায় সিলেট বিভাগ। ম্যাচসেরা হন সিলেটের জাকির হাসান।
সিলেটের সামনে জয়ের লক্ষ্য ছিল ২০১ রানে। ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেনের অপরাজিত ১১০ রানে সহজ জয় তুলে নেয় সিলেট।
১৭৮ বলের ইনিংসটি ১১ চার ও এক ছক্কায় সাজান ৩৪ বছর বয়সী ইমতিজয়াজ। প্রথম শ্রেণিতে এটি তার ১১তম শতক। তিনে নামাজ জাকির হোসেনও ৭২ রানের চমৎকার ইনিংস উপহার দেন। প্রথম ইনিংসে জাকির করেছিলেন ৭১ রান। প্রথম ইনিংসে ঢাকা মেট্রো করে ২৪৬ রান। জবাবে সিলেট বিভাগ ৩১৯ রানে থামে।
তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের চেয়ে ১৫২ রানে এগিয়ে ছিল ঢাকা মেট্রো। গতকাল ২২৫/৬ নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৯৫ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন। শেষতক ১১১ রান করে আবু জায়েদের বলে আউট হন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৬ চারের সঙ্গে এক ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান রিয়াদ। প্রথম শ্রেণিতে এটি তার ১২তম শতক। প্রথম ইনিংসে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মাহমুদুল্লাহ।
দলীয় ২৬৫ রানে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টেকেনি ঢাক মেট্রোর ইনিংস। আর ৮ রান যোগ করে বাকি দুই উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রানে থামে তারা। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন পেসার আবু জায়েদ রাহী। এনামুল হক জুনিয়র ও ইমরান আলীর শিকার ২টি করে উইকেট।
আশরাফুলের হাফ সেঞ্চুরিতে বরিশালের ড্র
অবশেষে রান দেখা গেলো মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাটে। টানা তিন ইনিংসে ব্যর্থ আশরাফুল গতকাল ফতুল্লায় ৬০ রানের ইনিংস খেলেন। তাতে চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে টিয়ার-২ এর দ্বিতীয় রাউন্ডে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল বিভাগ। ম্যাচসেরা হন চট্টগ্রামের নাঈম হাসান ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
জয়ের জন্য ৬৫ ওভারে বরিশালকে ৩৩৫ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় চট্টগ্রাম। জবাবে ১৭৪/৭ তুলে থামে বরিশাল বিভাগ। শুরুতেই ওপেনার রাফহান আল মাহমুদকে হারায় বরিশাল। এরপর শাহরিয়ার নাফীসের সঙ্গে ৩৮ ওভার ব্যাটিং করে ১১৩ রানের জুটি গড়েন আশরাফুল। ড্রয়ের পথে এগোতে থাকে ম্যাচ। কিন্তু আশরাফুল আউট হওয়ার পর বরিশালের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামে। ১২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৭/৬ হয়ে যায় বরিশালে স্কোর। ম্যাচের তখনো ১৫ ওভারের মতো বাকি। অষ্টম উইকেটে শামসুল ইসলামকে নিয়ে জুটি গড়ে বরিশালের হার এড়ান মোসাদ্দেক। ৩৫ রান করে আউট হন ইনিংসের শেষ বলে। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন অফস্পিনার নাঈম হাসান। প্রথম ইনিংসেও নাঈমের শিকার ৪ উইকেট।
এর আগে ৫০/১ নিয়ে চর্তুথ দিন শুরু করা চট্টগ্রাম ১৯৫/৬ তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে। ওপেনার পিনাক ঘোষ ৫০, মুমিনুল হক ৩০ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪৩ রান করেন। ২ উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বী। প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম সবকটি উইকেট হারিয়ে করেছিল ৩৫৬ রান। জবাবে বরিশাল বিভাগ ২১৬ রানে অলআউট হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর