× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

একসঙ্গে এত্ত কফিন, মমি!

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার, ৮:৫০

এক শতাব্দীর মধ্যে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি কাঠের কফিন উদ্ধার করেছে মিশর। একই স্থানে মাটির মাত্র তিন ফুট গভীরে পাওয়া যায় এমন ৩০টি কফিন। তার ভেতর অক্ষত অবস্থায় আছে নারী, পুরুষ ও শিশুদের মমি। কয়েকদিন আগে এগুলো উদ্ধার করা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করা হয় শনিবার। দেশটির লুক্সোর শহরের দক্ষিণ থেকে আবিষ্কার করা হয়েছে এসব কফিন। তা এখনো অক্ষত অবস্থায় আছে। এমন কি এর গায়ে যে অলঙ্করণ রয়েছে, যে নকশা আঁকা রয়েছে, তা বিন্দুমাত্র বিলীন হয় নি। এক শতাব্দীর মধ্যে একসঙ্গে এত কফিন বা মমি উদ্ধারের ঘটনা এটাই প্রথম।
মিশরের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক মন্ত্রণালয় শনিবার একটি বিবৃতিতে বলেছে, লুক্সোরের পশ্চিম তীরে আল আসাসিফ সমাধিক্ষেত্রে একসঙ্গে পাওয়া গেছে এসব কফিন। ওই এলাকাটি ঐতিহাসিক নীল নদের পশ্চিম তীরে। একসঙ্গে এত কফিন ও মমি পাওয়ার এমন ঘটনা বিরল। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এসব কফিন দুটি সারিতে সাজানো ছিল। যেহেতু একই স্থানে পাশাপাশি রাখা ছিল এগুলো তাই ধারণা করা হচ্ছে এটা কোনো উচ্চ পর্যায়ের ধর্মগুরুর পরিবারের সদস্যদের কফিন বা মমি হতে পারে। মিশরের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রধান মোস্তফা আল ওয়াজিরি বলেছেন, মিশরের প্রত্নতত্ত্ববিদ, রক্ষণশীল ও কর্মীদের সমন্বয়ে উৎসর্গিত ব্যক্তিদের একান্ত প্রচেষ্টায় আসাসিফ এলাকায় প্রথম এমন উদ্‌ঘাটন হলো। এসব কফিনের গায়ে যে তারিখের উল্লেখ আছে তাতে তা ২২তম ডাইনেস্টির। এই ডাইনেস্টির সূচনা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১০ম শতাব্দীতে। বহু বছরের পুরনো হলেও এখনো এসব কফিনে সাপ, পাখি, পদ্মফুল, হায়ারোগ্লিফিকসের কালো, সবুজ, লাল ও হলুদ রঙের ছবি একেবারে চকচক করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর